📌 ১৪ বছর বয়সের এক ঢাকার কিশোরী ফারজানা খান সুইডেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে সুইডেনে আসার পর বন্ধুত্বের চিঠি লিখে শুরু করেছিলেন রাজনৈতিক জীবন। এবার মডারেট পার্টির তালিকায় ২০ নম্বর প্রার্থী হিসেবে তিনি সুইডিশ রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন
১৪ বছর বয়সের এক ঢাকার কিশোরী, যিনি মা-দাদির সঙ্গে জিগাতলার কলোনিতে বেড়ে উঠেছিলেন, আজ সুইডেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেই কিশোরী ফারজানা খান, যিনি বাবা সুইডেনপ্রবাসী হওয়ায় বিদেশে পাড়ি জমালেন, এবার মডারেট পার্টির তালিকায় ২০ নম্বর প্রার্থী হিসেবে সুইডিশ রাজনীতিতে নিজের অবস্থান মজবুত করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার জিগাতলার কিশোরী ফারজানা খান সুইডেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মডারেট পার্টির ২০ নম্বর প্রার্থী হিসেবে
- 📌 সুইডেনে আসার পর তিনি বাংলাদেশের শিক্ষক আসাদ খানের সাথে চিঠি লিখে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন, পরে বিয়ে করে সুইডেনে বসবাস শুরু করেন
- 📌 ফারজানা খান মডারেট পার্টির ৫০ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন, যেখানে ১৯ জনের মধ্যে রয়েছে সুইডেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক নেতারা
- 📌 ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সুইডিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশি ভোটারদের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়ে
- 📌 ফারজানা খান মনে করেন, রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন নিরাপত্তা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য, যা মডারেট পার্টির মূল মূল্যবোধ
📰 বিস্তারিত
১৪ বছর বয়সের সেই দুরন্ত কিশোরী ফারজানা খান, যিনি ঢাকার জিগাতলার কলোনিতে বেড়ে উঠেছিলেন, বাবা সুইডেনে থাকায় মায়ের সঙ্গে সুইডেনে চলে আসেন। সেখানে তিনি একাকিত্বের দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিক্ষক আসাদ খানের সাথে চিঠি লিখে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন। সেই বন্ধুত্বের চিঠিতে চিঠিতে প্রেমের বীজ বপন হয়। ফারজানা খান বলেন, ‘সুইডেনে আসার পর আমি বাংলাদেশকে হারিয়ে ফেলতে চাইনি। সেই সময় আমি আসাদকে চিঠি লিখতে শুরু করলাম। তার চিঠিতে বাংলাদেশের কথা ছিল। সে চিঠি পড়তে পড়তে আমার মন বাংলাদেশের সুন্দর ছবিতে ভরে যেত।’
ফারজানা খান আসাদ খানের সাথে বিয়ে করে সুইডেনে বসবাস শুরু করেন। উমিও ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করার সময়ই তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। ফারজানা খান সন্তানকে নিয়ে ইউনিভার্সিটির ক্লাস করেছেন। পড়াশোনা শেষে তিনি পারিবারিক আইন নিয়ে সোশ্যাল ওয়ার্কার হিসেবে কাজ শুরু করেন। অন্যদিকে আসাদ খান ফিন্যান্স খাতে কর্মরত।
ফারজানা খান ২০০৮ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি মডারেট পার্টির ৫০ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন, যেখানে ১৯ জনের মধ্যে রয়েছে সুইডেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক নেতারা। তিনি বলেন, ‘আমি মডারেট পার্টি থেকে সুইডিশ পার্লামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমার অবস্থান ২০। আমি বাংলাদেশি ভোটারদের আহ্বান জানাচ্ছি, আমাকে ভোট দিন। আমি যদি নির্বাচিত হন, তাহলে বাংলাদেশের কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরব।’
"আমি যখন বাংলাদেশ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলাম, সেই সময় আমি আসাদকে আঁকড়ে ধরেছিলাম। তার চিঠিতে বাংলাদেশের কথা ছিল। সে চিঠি পড়তে পড়তে আমার মন বাংলাদেশের সুন্দর ছবিতে ভরে যেত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জিগাতলা), সুইডেন (স্টকহোম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারজানা খান (মডারেট পার্টির প্রার্থী), আসাদ খান (স্বামী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর বয়স, ১ সেপ্টেম্বর, ৫০ জন প্রার্থী, ১৯ জন প্রার্থী, ১৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!