📌 কদমতলীতে জমি দখল নিয়ে ক্ষোভে ব্যবসায়ী আসলাম খানকে গুলি করা হয়। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে, তাদের কাছ থেকে দুটি অস্ত্র, নয়টি গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। ঘটনায় জমির দখল বুঝে নেওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশিত হয়
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় জমি দখল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের ফলশ্রুতিতে ব্যবসায়ী আসলাম খানকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে, তাদের কাছ থেকে দুটি অস্ত্র, নয়টি গুলি এবং একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জমির দখল বুঝে নেওয়ার পর ক্ষোভের জেরে এই ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া আটটায় কদমতলী থানার জিয়া সরণিতে দোকানে বসে বেচাকেনা করছিলেন আসলাম খান (৩৮)। হঠাৎ গুলি ছুড়ে আহত হন তিনি।
- 📌 পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার — মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (৪৪), ইকবাল কালু (৩২), আকলিমা আক্তার রুনিয়া (৩০) ও সোনিয়া ইয়াসমিন (৪৩)।
- 📌 উদ্ধার হয় দুটি অস্ত্র, নয়টি গুলি, একটি ম্যাগাজিন, গুলির খোসা ও একটি মোটরসাইকেল।
- 📌 জমি দখল বুঝে নেওয়ার পর ক্ষোভের জেরে ঘটনাটি ঘটে। আসলাম খান আদালতের রায় পেয়ে জমিটি দখল করেন।
- 📌 মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বনানী ও ডেমরা থানায় ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে। ইকবাল কালুর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদক মামলা।
📰 বিস্তারিত
৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া আটটায় কদমতলী থানার জিয়া সরণির লাখি ক্রোকারিজ দোকানে ব্যবসায়ী আসলাম খান (৩৮) বসে বেচাকেনা করছিলেন। হঠাৎ চারজন দুর্বৃত্ত দোকানে ঢুকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে আসলাম খানের মুখের ডান পাশ ও বাঁ হাতের কনুইতে গুলি লাগে। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসলাম খান ও তাঁর সহযোগীরা একটি জমি কিনেছিলেন, যা দীর্ঘদিন ধরে জলিল মন্ডলের দখলে ছিল। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর আসলাম খান আদালতের রায় পান। গত ১৭ আগস্ট ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জলিল মন্ডলকে উচ্ছেদ করা হয় এবং আসলাম খান জমিটির দখল বুঝে নেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভের বশে আসামিরা তাঁর ওপর গুলি ছোড়েন।
পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, গুলির ঘটনার পর স্থানীয় জনতার সহায়তায় মঞ্জুরুল ইসলামকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি রিভলভার, নয়টি তাজা গুলি এবং পিস্তলের একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। মঞ্জুরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে ইকবাল কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আকলিমা আক্তার রুনিয়া ও সোনিয়া ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
"দোকানে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেলে শুটার মঞ্জুরুল ইসলাম দোকানের ভেতরে ঢুকে আসলাম খানকে লক্ষ্য করে গুলি করেন।"
মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী আরও বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তদন্তের বরাত দিয়ে জানান, ঘটনার আগে আসামিরা নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলের পাশে অবস্থান নেন। ঘটনায় কদমতলী থানায় দুটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।
মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বনানী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি এবং ডেমরা থানায় চুরির দুটি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ইকবাল কালুর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কদমতলী, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসলাম খান (৩৮), মঞ্জুরুল ইসলাম (৪৪), ইকবাল কালু (৩২), আকলিমা আক্তার রুনিয়া (৩০), সোনিয়া ইয়াসমিন (৪৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৭ আগস্ট, ৯টি গুলি, ২টি অস্ত্র, ৪জন গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!