📌 শেরপুরে লোভ দেখিয়ে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১১ জনের অভিযোগে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চেয়ে থানায় ভিড় করছেন
শেরপুর জেলায় লোভ দেখিয়ে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে (২৪ অক্টোবর) তার শ্বশুরবাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ পর্যন্ত ১১ জনের লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে জমা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানায় ভিড় করছেন এবং তাদের অনেকের পথে বসার আশঙ্কা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেরপুরে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 রমজান আলী শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের শুনিডুবারপাড় এলাকার এনামুল হকের ছেলে
- 📌 সদর উপজেলা ও পৌরসভার কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার
- 📌 গ্রেপ্তারের পর ১১ জনের লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে জমা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানায় ভিড় করছেন
📰 বিস্তারিত
শেরপুর জেলার দীঘারপাড় মহল্লায় রমজান আলীর শ্বশুরবাড়িতে শনিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করার পর থানায় ভুক্তভোগীদের ভিড় শুরু হয়। তারা টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়ে অভিযোগ দিচ্ছেন। এ পর্যন্ত ১১ জনের লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে জমা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, রমজান আলী অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়ন, শেরপুর পৌরসভা ও ভাতশালা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক, ধান ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অন্তত ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের ব্যবসা বা টাকা কোনো কিছুই বুঝিয়ে না দিয়ে কৌশলে সটকে পড়েন। দীর্ঘদিন ধরে রমজান আলী পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, অভিযোগ সাপেক্ষে রমজান আলীকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর অনেকেই তার কাছে টাকা পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে আসছেন।
"রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর অনেকেই তার কাছে টাকা পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে আসছেন। এ পর্যন্ত ১১ জন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর জেলা শহর, দীঘারপাড় মহল্লা, শেরপুর সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রমজান আলী, এনামুল হক, খোকন চন্দ্র ঘোষ (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ কোটি টাকা, ১১ জন অভিযোগকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!