📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শরীয়তপুর-চাঁদপুর সীমান্তে খাসজমি উচ্ছেদে লুটপাট ও আগুন: ঘেরমালিকদের দাবি শতকোটি টাকার ক্ষতি

শরীয়তপুর-চাঁদপুর সীমান্তে খাসজমি উচ্ছেদে লুটপাট ও আগুন: ঘেরমালিকদের দাবি শতকোটি টাকার ক্ষতি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুর-চাঁদপুর সীমান্তে সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযানের সময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ঘেরমালিকদের দাবি, ২৫-৩০টি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

শরীয়তপুর-চাঁদপুর সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযানের সময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের উপস্থিতিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ঘেরমালিকদের অভিযোগ, অভিযানের সময় বাঁধ কেটে দেওয়ায় মাছ ভেসে যায় এবং ঘেরের স্থাপনা ও মাছের খাদ্যে আগুন দেওয়া হয়। এছাড়াও চাঁদা না পেয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মাঝি ও তার সমর্থকেরা এক খামারির গরু, ছাগল ও হাঁস নিয়ে গেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মখদ্দি এলাকায় ২৫-৩০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ঘেরমালিকরা
  • 📌 ইকবাল পাটোয়ারীর ৫৮ একর জমিতে গড়ে তোলা ঘেরে ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ ছিল, অভিযানের সময় তার ২৭টি গরু, ৭১টি ছাগল ও ৩০০টি হাঁস লুট করা হয়েছে
  • 📌 জাহাঙ্গীর মাঝি ইকবাল পাটোয়ারীর কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু অভিযানের সময় ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে
  • 📌 অভিযানের সময় ঘেরের বাঁধ কেটে দেওয়া হয়, মাছের খাদ্য ও স্থাপনা আগুনে পুড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্তরা নোটিশ ছাড়াই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ
  • 📌 চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে বলে ঘের উচ্ছেদ করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মখদ্দি এলাকায় সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযানের সময় লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। ঘেরমালিকদের দাবি, গত ২১ অক্টোবর থেকে চলা অভিযানে অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্যতম ইকবাল পাটোয়ারী বলেছেন, তিনি নরসিংহপুর ফেরিঘাটের পাশে মখদ্দি এলাকায় প্রায় ৫৮ একর জমিতে একাধিক মাছের ঘের গড়ে তুলেছিলেন। তার এই ঘেরে প্রায় ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ ছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর মাঝি বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ অভিযানের সময় সংসদ সদস্যের কথা বলে আরও ৪০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ সময় তাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও সন্তুষ্ট না হয়ে অভিযান শেষে জাহাঙ্গীর তার লোকজন নিয়ে ঘেরে হামলা চালান। তারা বাঁধ কেটে দিলে ঘেরের সব মাছ বের হয়ে যায়। এ সময় তার ২৭টি গরু, ৭১টি ছাগল ও ৩০০টি হাঁস লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্য এক ঘেরমালিক মাহফুজ মিয়াও বলেছেন, ‘চোখের সামনে আমার সবকিছু পুড়ে যেতে দেখেছি। আগুনে মাছের খাদ্য ও স্থাপনা পুড়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে ভয়ে সামনে যাওয়ার সাহস পাইনি।’ ক্ষতিগ্রস্ত ঘেরমালিকদের অভিযোগ, কোনো নোটিশ না দিয়েই অভিযান চালানো হয়েছে। হঠাৎ করে ঘের উচ্ছেদ করায় মাছ ও অন্যান্য সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাননি তারা। এতে দীর্ঘদিনের বিনিয়োগে গড়ে তোলা ঘেরের স্থাপনা, মাছের খাদ্য ও চাষের সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে।

"গত ২১ অক্টোবর থেকে আমাদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি ভেকু দিয়ে আমাদের ঘেরের বাঁধগুলো কেটে দিয়েছেন। এতে ঘেরের মাছগুলো লুটপাট হয়েছে। আমাদের প্রায় শতকোটি টাকার লোকসান হয়েছে। এখন আমি নিঃস্ব। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"

জাহাঙ্গীর মাঝি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ওর কাছ থেকে ৩৫ লাখ কেন, ৩৫ টাকাও আমি নিইনি। অভিযানের সময় সবার সামনেই প্রশাসনের লোক ইকবালের ঘের কেটেছে। আর তার ঘেরে কোনো গরু-ছাগল কিছুই ছিল না।’

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেছেন, ‘স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এসে পরিস্থিতি দেখলাম। এ সম্পর্কে ডকুমেন্টস দেখে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’ চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এন. এম. জামিউল হিকমা বলেছেন, ঘেরমালিকেরা তাদের জানিয়ে বা অনুমতি নিয়ে সরকারি জমি দখল করে ঘের নির্মাণ করেননি। তাই সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করায় তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। লুটপাটের বিষয়ে তিনি বলেছেন, এসব উপজেলা প্রশাসন করেনি। স্থানীয় জনগণের জমি যারা চাষাবাদ করতেন, জোর করে দখল করে রাখায় তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এসব ঘটনা ঘটেছে।

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, ‘যারা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে বলেছি। আর শরীয়তপুরের অংশ যদি পড়ে থাকে, তাহলে ডিসি টু ডিসি কথা বলবে। সেখানে আইনের যে বিধান রয়েছে, সে বিধি মোতাবেক তারা কাজ করবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুর-চাঁদপুর সীমান্তবর্তী চরাঞ্চল, ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন, মখদ্দি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকবাল পাটোয়ারী, জাহাঙ্গীর মাঝি, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, মাহফুজ মিয়াও, মো. আবুবকর সিদ্দিক, এস. এন. এম. জামিউল হিকমা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫-৩০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত, ৫৮ একর জমি, ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ২৭টি গরু, ৭১টি ছাগল, ৩০০টি হাঁস, ৩৫ লাখ টাকা, ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖