📌 চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে (৩৬) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। মামলা দায়ের হলেও দুই দিনেও আসামি শনাক্ত হয়নি। ঘটনায় ১০-১২ জন অস্ত্রধারী জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে (৩৬) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি প্রথমে কুপিয়ে এবং পরে তিনটি গুলি করে নিহত করিমের লাশ প্রায় এক ঘণ্টা পর্যন্ত পড়ে ছিল। ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের হলেও দুই দিনেও পুলিশ আসামিকে শনাক্ত করতে পারেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে (৩৬) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ডে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা, কিন্তু আসামি শনাক্ত হয়নি
- 📌 মামলা দায়ের হলেও দুই দিনেও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি
- 📌 নিহত করিমের স্ত্রী বিলকিস আক্তার জানান, করিমকে ফোন করে রাউজানে ডেকে নেওয়া হয়েছিল
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাউজানে ২৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় রাউজানের কেরানীহাট বাজারে ঘটনাটি ঘটে। নিহত মুহাম্মদ করিম যুবদলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন, তবে কোনো পদে ছিলেন না। প্রকাশ্যে এই খুনের ঘটনার পর ব্যস্ততম বাজারটির দোকানিরা দোকানপাট বন্ধ করে চলে যান। ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা পর্যন্ত করিমের লাশ পড়ে ছিল। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আজ সকালে লাশটি তাঁর পরিবারকে হস্তান্তর করে দিয়েছে।
মামলাটি রাউজান থানায় নিহত করিমের স্ত্রী বিলকিস আক্তার বাদী হয়ে গত শুক্রবার রাতে দায়ের করেন। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বাদী কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, ‘কতজন হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন, সেটিও দেননি। এখনো কোনো আসামিকে শনাক্ত করা যায়নি। তাই গ্রেপ্তার করাও সম্ভব হয়নি।’
বিলকিস আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে করিম হাটহাজারীতে ছিলেন। তাঁকে ফোন করে রাউজানে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। তবে কারা ফোন করে করিমকে ডেকে নেন, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত নন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাউজানে ২৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০টি হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক বিরোধের জেরে হয়েছে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হওয়াসহ সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
"বাদী কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেননি। কতজন হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন, সেটিও দেননি। এখনো কোনো আসামিকে শনাক্ত করা যায়নি। তাই গ্রেপ্তার করাও সম্ভব হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাউজান, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ করিম (৩৬), বিলকিস আক্তার, সাইফুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১২ জন অস্ত্রধারী, ৩টি গুলি, ২৭টি হত্যাকাণ্ড, ২০টি রাজনৈতিক হত্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!