📌 সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩০০ ফুটেরও বেশি অংশ ভেঙে পড়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার আঘাতে বাঁধের প্রস্থ এক দেড় ফুটে কমে গেছে। এলাকাবাসী জিও ব্যাগ দিয়ে ডাম্পিংয়ের কাজ করছে, অন্যথায় প্রতাপনগর ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই নাজুক
সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভয়াবহ ভাঙন ঘটেছে। ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তার মধ্যেই ঝোড়ো হাওয়ার আঘাতে বাঁধের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ ভেঙে পড়েছে। বন্যতলা এলাকায় এই ভাঙন ঘটার ফলে নদীর বাঁধের প্রস্থ কোথাও কোথাও মাত্র এক দেড় ফুট অবশিষ্ট রয়েছে। এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং নিজেদের বসতভিটা রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বন্যতলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ৩০০ ফুটেরও বেশি অংশ ভেঙে পড়েছে।
- 📌 বাঁধের প্রস্থ কোথাও কোথাও মাত্র এক দেড় ফুট অবশিষ্ট রয়েছে, যা এলাকাবাসীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।
- 📌 হাজার হাজার এলাকাবাসী নিজেদের বসতভিটা রক্ষার জন্য বালু ও জিও ব্যাগ দিয়ে ডাম্পিংয়ের কাজ করছেন।
- 📌 রাতেও চলে রক্ষাকাজ — যদি ভাঙন ঠেকানো না যায়, তাহলে প্রতাপনগর ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই নাজুক। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়ার আঘাতে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ভাঙন ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যতলা এলাকায় বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ভাঙন ধরে। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাওয়ায় স্থানীয়রা মাইকিং করে এলাকাবাসীদের সতর্ক করেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে হাজার হাজার মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নিজেদের বসতভিটা রক্ষার জন্য বালুর বস্তা ও জিও ব্যাগ দিয়ে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করেন। রাতেও চলে এই প্রাণপণ চেষ্টা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেছেন, “ভাঙনের খবর পেয়েছি। খুব খারাপ অবস্থা। আমি সঙ্গে সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি। এছাড়া শ্যামনগরের ইউএনওকেও জানিয়েছি।” তিনি আরও বলেছেন, স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে জিও ব্যাগ দিয়ে ডাম্পিংয়ের কাজ করছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আগেভাগে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিস্থিতি এতটা নাজুক হতো না। যদি ভাঙন ঠেকানো না যায়, তাহলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীর পানিতে প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
"আমি সঙ্গে সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বন্যতলা, আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্যামানন্দ কুন্ডু (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ ফুট (বাঁধের ভাঙন), ১.৫ ফুট (বাঁধের অবশিষ্ট প্রস্থ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!