📌 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলমের ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। রাণি মৌমাছিসহ বিপুলসংখ্যক মৌমাছি নিহত হয়, ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। স্থানীয়রা দাবি করেছেন দ্রুত বিচার
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলমের ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রাণি মৌমাছিসহ বিপুলসংখ্যক মৌমাছি নিহত হয় এবং মৌচাষির দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই অপরাধের জন্য দ্রুত বিচার দাবি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলমের ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়
- 📌 রাণি মৌমাছিসহ মৌমাছিরা নিহত হয়, মৌচাক ও মধু নষ্ট হয়ে যায়
- 📌 ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা, এছাড়া খরচ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা
- 📌 মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, শত্রুতা করে তার জীবিকার পথ ধ্বংস করা হয়েছে
- 📌 স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দোষীদের শনাক্তের দাবি জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলমের মৌখামারে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলম গত ৯ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলা থেকে রাণি মৌমাছি নিয়ে কলারোয়া উপজেলার মীরডাঙ্গা গ্রামে এসেছিলেন। সেখানে তিনি ২৮০টি মৌ-বাক্স স্থাপন করেছিলেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা মৌ-বাক্সগুলো পুকুরে ফেলে দিয়েছে। সকালে উঠে মৌচাষি দেখতে পান, পুকুরের পানিতে ডুবে রাণি মৌমাছিসহ সব মৌমাছি মারা গেছে এবং বাক্সগুলো সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে।
মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে জানান, “শুক্রবার সারাদিন আমি আম বাগানে মৌ বাক্সগুলো স্থাপন করলাম। তারপর শনিবার সকালে দেখি সব মৌবাক্স পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৌ-বাক্সগুলো শুধু পানিতে ফেলে দেওয়া হয়নি, এর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও জীবিকার পথও ধ্বংস করা হয়েছে। প্রতিটি বাক্সে ৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্য মৌমাছির বাজার মূল্য। ২৮০টি বাক্সে থাকা মৌমাছির বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া গত কয়েক দিনে খাদ্য ও পরিচর্যা বাবদ আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছিল।”
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জমি মালিক ইমামুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম ও ইমরান হোসেনসহ এলাকার উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা এ ধরনের জঘন্য কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। বাংলাদেশ বিকিপার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এবাদুল্লাহ আফজাল বলেছেন, “সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানায় বড়ুই বাগানে মৌখামারের সব মৌবাক্স পুকুরে ফেলে যে দূর্ঘটনা ঘটেছে, আমি তার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাই। দুষ্কৃতীকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
"শত্রুতা করে আমার এই সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমি একবারে নিঃস্ব হয়ে রাস্তায় বসে গেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলারোয়া উপজেলা, সাতক্ষীরা, মীরডাঙ্গা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহাঙ্গীর আলম, ইমামুল ইসলাম, মোহাম্মদ এবাদুল্লাহ আফজাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮০টি মৌ-বাক্স, ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা ক্ষতি, ৬ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি বাক্সের মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!