📌 দিনাজপুরের পার্বতীপুরে প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে (৫৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ আরো একজনকে আটক করেছে। নতুন বাড়ি নির্মাণ ও যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের বড় ছেলে চন্দন কুমার রায় মামলা দায়ের করেছেন
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে (৫৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ আরো একজনকে আটক করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে নতুন বাড়ি নির্মাণ ও প্রতিবেশীদের সাথে বিরোধের দায়িত্বে আছেন ফরতাজ হোসেন (৫৬)। ঘটনাস্থলে দুজনকে আটক করা হয়েছে, আর গ্রেপ্তারি অভিযান চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের পার্বতীপুরে প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে (৫৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়; নিহতের বড় ছেলে চন্দন কুমার রায় মামলা দায়ের করেছেন
- 📌 নতুন বাড়ি নির্মাণ ও যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে ঘটনা ঘটে; ফরতাজ হোসেন (৫৬) ও চারজন প্রতিবেশীকে দায়ী করা হয়
- 📌 ঘটনাস্থলে আসাদুজ্জামান (৩৬) আটক করা হয়; পরে আলোম হোসেন আলো (৪০) গ্রেপ্তার হন
- 📌 পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে; অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারি অভিযান চলছে
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বাড়ি নির্মাণ ও যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে (৫৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে দুজনকে আটক করা হয়েছে, আর অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারি অভিযান চলছে। নিহত মনোরঞ্জন রায় চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের চকসুকদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি পার্বতীপুরের ১ নম্বর বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের রাবেয়ার মোড় এলাকার সোনাপুকুর নয়ামোল্লাপাড়ার বাসিন্দা অসীম চন্দ্র রায়ের ছেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আজিজুর রহমানের পরিবারের নতুন বাড়ি নির্মাণের সময় প্রতিবেশীদের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য মনোরঞ্জন রায়কে দায়ী করে প্রতিবেশী মোস্তাহার, আলোম হোসেন, আসাদুজ্জামান ও শরিফুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এছাড়া বাড়ি নির্মাণের মালামাল কেনার বিষয়ে ফরতাজ হোসেনের সাথে মনোরঞ্জন রায়ের বিরোধও ঘটে।
ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে ফরতাজ হোসেন রোমানা বেগমের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। পরে রোমানা বেগম মুঠোফোনে মনোরঞ্জন রায়কে বিষয়টি জানিয়ে বাড়িতে আসতে বলেন। মনোরঞ্জন রায় আজিজুর রহমানের বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যান। সেখানে ফরতাজ হোসেনের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মনোরঞ্জন রায় ফরতাজ হোসেনের গালে চড় মারেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফরতাজ হোসেন প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন। তারা বাঁশের খুঁটি ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মনোরঞ্জন রায়কে মারধর করেন। প্রাণ বাঁচাতে মনোরঞ্জন রায় প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ধানখেতে ফেলে রেখে চলে যান। পরে ধান কাটতে গিয়ে একজন ব্যক্তি তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন। আজিজুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
"ঘটনার পর অনেকে ধারণা করেছিলেন, মনোরঞ্জন রায় পালিয়ে গেছেন। পরে দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে ধান কাটতে গিয়ে একজন ব্যক্তি তাঁকে ধানখেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে আজিজুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পার্বতীপুর, দিনাজপুর; সোনাপুকুর নয়ামোল্লাপাড়া, বেলাইচণ্ডী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনোরঞ্জন রায় (৫৫), চন্দন কুমার রায়, ফরতাজ হোসেন (৫৬), আসাদুজ্জামান (৩৬), আলোম হোসেন আলো (৪০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ (মনোরঞ্জন রায়ের বয়স), ২৫ (অক্টোবর), ১১ (টার), ১৫০ (মিটার), ৯৯৯ (জরুরি সেবা), ৩৬ (আসাদুজ্জামান), ৪০ (আলোম হোসেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!