📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গলাকাটা-আংড়া সড়কের কার্পেটিং পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে, স্থানীয়দের দাবি নিম্নমানের নির্মাণ

গলাকাটা-আংড়া সড়কের কার্পেটিং পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে, স্থানীয়দের দাবি নিম্নমানের নির্মাণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার গলাকাটা-আংড়া সড়কের কার্পেটিং নির্মাণের এক সপ্তাহ পর পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে। স্থানীয়রা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু ঠিকাদার ও কর্মকর্তারা তা অস্বীকার করছেন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার গলাকাটা-আংড়া সড়কের কার্পেটিং নির্মাণের মাত্র এক সপ্তাহ পরই পায়ের ঘষায় পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন, যা নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গলাকাটা-আংড়া সড়কের এক কিলোমিটার কার্পেটিংয়ের কাজে ব্যয় হয় ৮৫ লাখ টাকা
  • 📌 নির্মাণের মাত্র এক সপ্তাহ পর পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে, স্থানীয়রা দাবি করছেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হয়েছে
  • 📌 দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেছেন, কার্পেটিংয়ের আগে মাটি ও রাবিশ দেওয়া হয়েছিল, যা স্থানীয়দের প্রতিবাদ সৃষ্টি করেছিল
  • 📌 ঠিকাদার প্রতিনিধি মাহাবুব ইলাহী দাবি করেছেন, বিটুমিন জমাট বাঁধতে সময় লাগে, তাই পিচ সহজে ওঠে না
  • 📌 স্থানীয় বিএনপির নেতা জিয়াউল ফেরদৌস রাইট বলেছেন, সড়কের পাকাকরণের মান নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ঠিকাদারের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২৫-২৬ অর্থবছরে গলাকাটা থেকে আংড়া পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ পেয়েছিল লিনা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮৫ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর কার্যাদেশ পাওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে এবং ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যথাসময়ে তা শেষ হয়।

দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, “দুই সপ্তাহ আগে ঠিকাদার সড়কটির কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করেছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ পর পায়ের ধাক্কায় পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে। কার্পেটিংয়ের আগে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং বালুর পরিবর্তে মাটি ও রাবিশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তা করা হয়নি।” আরেক বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “সড়কটির কাজের মান নিয়ে স্থানীয়রা অসন্তুষ্ট। দ্রুত তদন্ত করে পুনরায় ভালোভাবে কার্পেটিং করার দাবি জানাচ্ছি।”

সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। গতকাল রোববার বিকেলে ঠিকাদারের লোকজন সড়ক পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পাঁচবিবি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ফেরদৌস রাইট বলেন, “সড়কের নিম্নমানের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ঠিকাদারের লোকজনের বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। খবর পেয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। সড়কটির পাকাকরণ কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।”

আটাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) আ স ম আরেফিন চৌধুরী (আবু) বলেন, “গলাকাটা থেকে আংড়া পর্যন্ত সড়কের কার্পেটিং কাজের মান নিয়ে স্থানীয়রা আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

ঠিকাদারের প্রতিনিধি মাহাবুব ইলাহী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গ্রামবাসীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। কার্পেটিংয়ের পর বিটুমিন জমাট বাঁধতে সময় লাগে। সেই সময় পার হলে পিচ সহজে ওঠানো সম্ভব হবে না।” পাঁচবিবি উপজেলা প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান বলেন, “সড়কটির কার্পেটিংয়ের কাজ সঠিক ও টেকসই মান বজায় রেখে করা হয়েছে। স্থানীয় কিছু ব্যক্তি নিজেরাই কার্পেটিং তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।”

"কার্পেটিংয়ের আগে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং বালুর পরিবর্তে মাটি ও রাবিশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তা করা হয়নি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গলাকাটা-আংড়া সড়ক, পাঁচবিবি উপজেলা, জয়পুরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল জলিল, মোয়াজ্জেম হোসেন, জিয়াউল ফেরদৌস রাইট, আ স ম আরেফিন চৌধুরী (আবু), মাহাবুব ইলাহী, মাহামুদুল হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ লাখ টাকা (ব্যয়), ৩ অক্টোবর (কার্যাদেশ), ৩০ সেপ্টেম্বর (কাজ শেষ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖