📌 রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় ১৯ অক্টোবর হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি মজনু মিয়া (৩২) সহ তিনজনকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। হত্যাকাণ্ডের শিকার ফখরুল আলম রতনের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় গত ১৯ অক্টোবর নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা ফখরুল আলম রতনের হত্যাকাণ্ড মামলায় প্রধান আসামি মজনু মিয়া (৩২) সহ তিনজনকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার শাকতলা বাজার এলাকায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। গত বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের আজ শুক্রবার কাউনিয়া থানায় হেফাজতে নিয়ে আসা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মজনু মিয়া (৩২)** সহ তিনজনকে লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 **১৯ অক্টোবর রাত ৬টার দিকে** কাউনিয়া উপজেলার হরিচরণ লস্কর গ্রামে ফখরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়
- 📌 **পুলিশ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে** রামগঞ্জের শাকতলা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 **এসআরবির ১৩ ও ১১ ক্যাম্পের অভিযানিক দল** তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়
- 📌 **মামলার এজাহারভুক্ত আসামি খলিলুর রহমান** রিমান্ড শেষে বর্তমানে রংপুর কারাগারে বন্দী
- 📌 **হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্বশত্রুতা** ছিল বলে জানিয়েছে কাউনিয়া থানার ওসি বাদল কুমার মণ্ডল
📰 বিস্তারিত
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শিবু কুটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মজনু মিয়া (৩২) হলেন এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি। তার সাথে গ্রেপ্তার হন একই এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান (৪০) এবং রিজু মিয়া (৩০)। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফখরুল আলম রতনকে হত্যা করার পর এই তিন আসামি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ ও এসআরবি অভিযান চালায়।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদল কুমার মণ্ডল জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্বশত্রুতা ছিল। ফখরুল আলম রতন ছিলেন নয়ন গ্রুপের প্রধানের আপন বড় ভাই। উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য আগে থেকেই নয়ন গ্রুপ ও কোহিনুর গ্রুপের মধ্যে হামলা ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার শিকার ফখরুলের স্ত্রী শাম্মি আক্তার বাদী হয়ে মজনুকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে হেফাজতে নিয়ে কাউনিয়া থানায় নিয়ে আসছে। ওসি মণ্ডল আরও জানান, এসআরবির ১৩ ও ১১ ক্যাম্পের অভিযানিক দল ও থানা-পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
"আধিপত্য বিস্তারের জন্য আগে থেকেই দুই গ্রুপের মধ্যে মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্বশত্রুতা ছিল।" — ওসি বাদল কুমার মণ্ডল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা, শাকতলা বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মজনু মিয়া (৩২), লুৎফর রহমান (৪০), রিজু মিয়া (৩০), ওসি বাদল কুমার মণ্ডল, উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন গ্রেপ্তার, ৩২ বছর (মজনু), ৪০ বছর (লুৎফর), ৩০ বছর (রিজু), ১৯ অক্টোবর, ১৩ ও ১১ নম্বর ক্যাম্প
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!