📌 রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে মালিক মুকুল মিয়াকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল গুড় মজুতের দায়ে এই সাজা প্রদান করেছে
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত মালিককে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। গত শনিবার রাতে ময়েনপুর ইউনিয়নের ফুল চৌকি গ্রামে মুকুল মিয়ার কারখানায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুকুল মিয়ার গুড় কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
- 📌 আশিক জামান (উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) কারখানায় অভিযান পরিচালনা
- 📌 কারখানায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল গুড় মজুত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়
- 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে অর্থদণ্ড প্রদান
📰 বিস্তারিত
মিঠাপুকুর উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের ফুল চৌকি গ্রামে মুকুল মিয়ার গুড় তৈরির কারখানায় গত শনিবার রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক জামান কারখানাটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানকালে কারখানায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়।
মুকুল মিয়াকে ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানকালে কারখানায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল গুড় মজুত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়। উপজেলা সহকারী কমিশনার আশিক জামান বলেন, ‘কারখানাটিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরি করে মজুত করা হচ্ছিল। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানকালে কারখানার মালিক মুকুল মিয়া উপস্থিত ছিলেন। তিনি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগ স্বীকার করেছেন।
"কারখানাটিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ভেজাল গুড় তৈরি করে মজুত করা হচ্ছিল। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
আশিক জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিঠাপুকুর উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুকুল মিয়া, আশিক জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা (অর্থদণ্ড), ৫ লাখ টাকা (ইসমাইল হোসেনের জমি বিক্রির নগদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!