📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে নষ্ট সার গুঁড়ানোর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঘেরাও করে গুদাম, ৫৫৩ বস্তা সার উদ্ধার

রাজশাহীতে নষ্ট সার গুঁড়ানোর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঘেরাও করে গুদাম, ৫৫৩ বস্তা সার উদ্ধার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় একটি গুদামে ৫৫৩ বস্তা নষ্ট ট্রিপল সুপার ফসফেট সার জমাট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে এলাকাবাসী গুদাম ঘেরাও করে। প্রশাসন সার পরীক্ষা করার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষা আদেশ দিয়েছে

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় একটি গুদামে জমাট বাঁধা অবস্থায় ৫৫৩ বস্তা নষ্ট ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার পাওয়া গেছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সার গুঁড়ানোর দৃশ্য দেখা গিয়েছে, যা দেখে এলাকাবাসীরা গুদামটি ঘেরাও করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রসনজিৎ সাহা গুদামের তালা খুলিয়ে সার উদ্ধার করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের বালিয়াঘাটা সোনারপাড়া গ্রামে একটি গুদামে ৫৫৩ বস্তা নষ্ট ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার পাওয়া যায়
  • 📌 ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন সার গুঁড়ানোর দৃশ্য রেকর্ড করে এবং গুদাম ঘেরাও করে
  • 📌 গুদামের মালিক মাইনুল ইসলামের রহমান স্টোরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি চট্টগ্রাম থেকে এই সার আনা ছিলেন
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান জানান, সারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষা করা হবে
  • 📌 পরীক্ষা পাস করলে সার কৃষকদের কাছে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেওয়া হবে, না হলে সার ধ্বংস করা হবে
  • 📌 সারের মালিক মাইনুল ইসলামের দাবি, তিনি সার নিয়ে আসার কোনো আইনগত বৈধতা জানাননি এবং সার পুকুর ও বাগানে ব্যবহার করার কথা বলেছেন

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের বালিয়াঘাটা সোনারপাড়া গ্রামে একটি বাড়িসংলগ্ন গুদামে গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৫৫৩ বস্তা নষ্ট ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার আনা হয়েছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় থাকা এই সার গুঁড়ানোর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীরা গুদামটি ঘেরাও করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রসনজিৎ সাহা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুদামের তালা খুলে সার উদ্ধার করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান জানান, সারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষা করা হবে। যদি সার কার্যকর হয়, তাহলে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। আর যদি কার্যকর না হয়, তাহলে সার ধ্বংস করা হবে। ইতিমধ্যে সারের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

গুদামের মালিক মাইনুল ইসলামের রহমান স্টোরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম থেকে এই সার আনা ছিলেন। স্থানীয় মতিউর রহমানের গুদাম ভাড়া নিয়ে সার রেখেছিলেন। সারের মালিক মাইনুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, মাইনুল সারের ডিলার নন এবং তিনি সার নিয়ে আসার কোনো আইনগত বৈধতা জানাননি। তিনি দাবি করেন, সার পুকুর ও বাগানে ব্যবহারের জন্য এনেছিলেন।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সার ভেজা এবং বেশিরভাগই জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে গেছে। একজন লোক হাতুড়ি দিয়ে সার ভাঙছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা একটি রসিদে ‘ডেলিভারি চালান, ভেজা/নষ্ট পণ্য’ শিরোনাম দেখা গেছে। এতে লেখা রয়েছে, এমভি মুনতাহা হোসেন নামের একটি লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে সাল সা বিলা শিপিং লাইনসের অ্যাকাউন্টস অফিসার আবদুল কাদেরের স্বাক্ষর রয়েছে।

"এই সারের কোনো কার্যকারিতা আছে কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষা দরকার। যদি কোনো উপকারে আসে, তাহলে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। আর না হলে ধ্বংস করা হবে।"

— লিয়াকত সালমান, পুঠিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা, বানেশ্বর ইউনিয়ন, বালিয়াঘাটা সোনারপাড়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রসনজিৎ সাহা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান, মাইনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫৩ বস্তা নষ্ট ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖