📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিমানবন্দর এলাকায় সোয়া কোটি টাকার ডাকাতি চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৬০ লাখ টাকা

বিমানবন্দর এলাকায় সোয়া কোটি টাকার ডাকাতি চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৬০ লাখ টাকা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় সংঘটিত সোয়া কোটি টাকার ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। উদ্ধার হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। ডাকাত দলের সদস্যরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় সংঘটিত সোয়া কোটি টাকার ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম. জেড. এম. ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় সোয়া কোটি টাকার ডাকাতির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব
  • 📌 র‌্যাব ও ডিবির অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৬০ লাখ টাকা
  • 📌 ডাকাত দলের সদস্যরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়
  • 📌 ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে গ্রেফতার হয়েছে হাকিম, কাওসার ও জলিল মোল্লা

📰 বিস্তারিত

গত ৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ডিএল ফিলিং স্টেশনের কাছ থেকে লাল রঙের কাভার্ডভ্যানে করে ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় সশস্ত্র ডাকাত দল টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর র্যাবের নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারিতে ডাকাতির নেপথ্যের তথ্য উন্মোচিত হয়। র‌্যাব জানায়, ডাকাত দলের সদস্য কাওসার ডিএল ফিলিং স্টেশনে গাড়িতে তেল নেওয়ার কাজে আসা-যাওয়া করতেন। তিনি ফিলিং স্টেশনের এক কর্মীর মাধ্যমে জানতে পারেন, প্রতি সপ্তাহে বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।

ডাকাতির পরিকল্পনার বিষয়ে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, পূর্বে কুমিল্লায় সোনা ডাকাতির মামলায় জেলে থাকাকালীন ১৮টি মামলার আসামি ডাকাত হাকিমের সঙ্গে কাওসারের পরিচয় হয়। পরে হাকিম জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তারা ডাকাতির পুরো পরিকল্পনা করে। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে, অর্থাৎ গত ২ আগস্ট মূল পরিকল্পনাকারী হাকিম, তথ্য প্রদানকারী কাওসার এবং ডাকাতি বাস্তবায়নকারী জলিল মোল্লা একসঙ্গে ডিএল ফিলিং স্টেশনে যায় এবং পুরো এলাকা রেকি করে।

মাঠপর্যায়ে ডাকাতি বাস্তবায়নের জন্য হাকিম ও কাওসার ছাড়াও আরও সাতজন যুক্ত ছিল। তাদের মধ্যে ছয়জন তিনটি মোটরসাইকেলে সরাসরি ডাকাতিতে অংশ নেয় এবং একজন ফিলিং স্টেশনের কাছ থেকে তথ্যদাতা হিসেবে অবস্থান করছিল। মুস্তাফিজ নামে ওই তথ্যদাতা ফিলিং স্টেশনের পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইলফোনে ছোটো লাল রঙের কাভার্ডভ্যানের গতিবিধির তথ্য ডাকাত দলের সদস্যদের জানান। পরে রাজধানীর বিমানবন্দর থানাধীন ক্রাউন প্লাজার সামনে পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা ডাকাত দল কাভার্ড ভ্যানটির গতিরোধ করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

"ডাকাতি সফল হওয়ার পর তারা নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ করে নেয়। মূল সর্দার জলিল মোল্লা ৫৩ লাখ টাকা নিজের কাছে রাখে। ডাকাতির সময় তার হাতে পিস্তল ছিল এবং সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। তার সহযোগী সাগর বোরাক ১৪ লাখ টাকা ভাগে নেয়। ডাকাতির সময় তার হাতেও পিস্তল ছিল। ডিবি তাকে গ্রেফতার করে এবং তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিমানবন্দর এলাকা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উইং কমান্ডার এম. জেড. এম. ইন্তেখাব চৌধুরী, হাকিম, কাওসার, জলিল মোল্লা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ লাখ টাকা (উদ্ধার), ১ কোটি ২১ লাখ টাকা (ডাকাতি), ১৮টি মামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖