📌 পটুয়াখালীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের বিরল ইলিশ ধরা পড়েছে। মাছটি নিলামে বিক্রি হয় ৭ হাজার ২০০ টাকায়। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, বড় ইলিশের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বিভিন্ন কারণে
পটুয়াখালীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের বিরল ইলিশ ধরা পড়েছে। এই বিরল ঘটনায় মাছটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ২০০ টাকায়। গত মঙ্গলবার সোহরাব গাজী নামের জেলের জালে পাইপবয়া এলাকায় এই বিরল ইলিশ ধরা পড়ে। সকাল ৯টায় কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে আসেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালীর বঙ্গোপসাগরে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের বিরল ইলিশ ধরা পড়েছে
- 📌 মাছটি নিলামে বিক্রি হয় ৭ হাজার ২০০ টাকায়
- 📌 সোহরাব গাজী ১০ বছর ধরে ইলিশ ধরে আসছেন, এত বড় ইলিশ ধরা পড়া বিরল
- 📌 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাজীব সরকার বলেছেন, বড় ইলিশের সংখ্যা কমছে বিভিন্ন কারণে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা জামাল ঘরামি বলেছেন, আগের মতো ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না
📰 বিস্তারিত
গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরের পাইপবয়া এলাকায় সোহরাব গাজী নামের এক জেলের জালে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের বিরল ইলিশ ধরা পড়ে। সকাল ৯টায় তিনি মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে মাছটি নিলামে বিক্রি করা হয়। সোহরাব গাজী বলেন, ‘জাল ফেলার পর জাল টানতে না টানতেই এই বড় আকারের ইলিশ মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হলে ডাকের মাধ্যমে ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অনেক বছর পর এত বড় একটা মাছ পেয়েছি। এইতে আমি খুবই খুশি।’
মাছটির ক্রেতা কুয়াকাটা মা মনি ফিসের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান বলেন, ‘এত বড় মাছ বাজারে খুব কম দেখা যায়। তাই আমি নিলামের মাধ্যমে মাছটি ক্রয় করেছি। আমি শরীয়তপুরের এক প্রবাসী ভাইয়ের বাসায় এ মাছটি পাঠাব।’
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ‘এটি অত্যন্ত ভালো খবর। এ রকম বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে মৎস্য নিষেধাজ্ঞার সুফলের কারণে।’ তবে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক রাজীব সরকার বলেন, ‘ছোট ইলিশের অযাচিত আহরণ, নদীতে পানি কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইস গেটের কারণে মাছের অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জাল ব্যবহার, পানিদূষণ, প্লাঙ্কটনের ঘাটতি, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বড় ইলিশ দিন দিন কমছে। ব্যাহত হচ্ছে ইলিশের প্রজনন। এবার ভরা মৌসুমেও তেমন ইলিশ পাচ্ছেন না জেলেরা। ফলে বাজারে ইলিশের সরবরাহও কমে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল ঘরামি বলেন, ‘আগে বছরে অন্তত একবার ইলিশ কিনা খাইতে পারতাম, এখন সেইটা স্বপ্ন হয়ে গেছে।’
"জাল ফেলার পর জাল টানতে না টানতেই এই বড় আকারের ইলিশ মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হলে ডাকের মাধ্যমে ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অনেক বছর পর এত বড় একটা মাছ পেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী, বঙ্গোপসাগরের পাইপবয়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহরাব গাজী, বিজন কুমার নন্দী, মিজানুর রহমান, অধ্যাপক রাজীব সরকার, জামাল ঘরামি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কেজি ১০০ গ্রাম (ইলিশের ওজন), ৭ হাজার ২০০ টাকা (বিক্রয় মূল্য), ১০ বছর (সোহরাব গাজীর অভিজ্ঞতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!