📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯৮ বছর বয়সেও মাছ কাটে পাবনার বুড়ো নিয়ামত: দিনে ৩০০ টাকা আয় করে সংসার চালায়

৯৮ বছর বয়সেও মাছ কাটে পাবনার বুড়ো নিয়ামত: দিনে ৩০০ টাকা আয় করে সংসার চালায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনা শহরতলির ৯৮ বছর বয়সী নিয়ামত মোল্লা প্রতিদিন মাছ কাটে বাজারে। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও মনের জোরে তিনি দিনে ২০০-৩০০ টাকা আয় করেন। বাবার সঙ্গে নদীতে মাছ ধরার অভ্যাস থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত মাছের ব্যবসায়ে জড়িয়ে আছেন তিনি

পাবনা শহরতলির চর বলরামপুর গ্রামের ৯৮ বছর বয়সী নিয়ামত মোল্লা প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার মাসুম বাজারে মাছ কাটছেন। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও চোখের দৃষ্টি ও মনের জোর তাঁকে এই কাজে অব্যাহত রাখছে। নিজের ও স্ত্রীর খাবার ওষুধের খরচ জোগাতে তিনি প্রতিদিন বাজারে মাছ কাটেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনা শহরতলির চর বলরামপুর গ্রামের ৯৮ বছর বয়সী নিয়ামত মোল্লা প্রতিদিন মাসুম বাজারে মাছ কাটেন
  • 📌 ১ কেজি মাছ কাটলে পান ২০ টাকা, ছোট মাছ কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকায় কাটেন
  • 📌 দিনে ২০০-৩০০ টাকা আয় করে নিজের ও স্ত্রীর খরচ চালান
  • 📌 বয়সের কারণে হাত কাঁপে, জোর কমে গেছে, তবুও মাছ কাটতে আসেন ক্রেতারা
  • 📌 ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত মাছের ব্যবসা করেছেন, এরপর কাটার কাজ শুরু
  • 📌 চার দশক ধরে এই কাজে জড়িয়ে আছেন, বাবার সঙ্গে নদীতে মাছ ধরার অভ্যাস থেকে শুরু

📰 বিস্তারিত

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নিয়ামত মোল্লার বয়স ৯৮ বছর ১১ মাস, তবে তিনি নিজে দাবি করেন ৯০ বছর। প্রতিদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত মাসুম বাজারে তাঁকে দেখা যায়। ছোট্ট একটি ত্রিপলের নিচে বসে ক্রেতাদের মাছ কেটে দেন তিনি। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও চোখের দৃষ্টি এখনো বেশ ভালো। মনের জোর ও চোখের দৃষ্টিকে সম্বল করে প্রতিদিন সকালে মাছ কাটতে বসেন তিনি।

১ কেজি ওজনের মাছ কাটলে পান ২০ টাকা, ছোট মাছ কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় কাটেন। দিনে তাঁর আয় হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। গত শুক্রবার সকালে মাসুম বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩০ জন মাছ কাটার কাজে ব্যস্ত। তাঁদের বেশির ভাগই তরুণ-যুবক। সেখানেই ত্রিপল টাঙিয়ে বসে আছেন নিয়ামত। অন্যদের তুলনায় তাঁর কাছে লোকও কম। বয়সের কারণে হাত কাঁপে, জোরও কমে গেছে। তাই অনেকেই তাঁর কাছে মাছ কাটাতে আসতে চান না।

নিয়ামত জানান, বড় মাছ কাটতে তাঁর ভালো লাগে। ৩০ থেকে ৪০ কেজি ওজনের মাছও কেটেছেন তিনি। জেলা সদরের সিঙ্গা বাইপাস এলাকার অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান একটি রুই মাছ নিয়ে নিয়ামতের কাছে আসেন। মাছ কাটতে দেখে আজিজুর বলেন, ‘এই বয়সেও মানুষটি চশমা ছাড়াই ভালো দেখতে পান। অন্যদের তুলনায় ভালো মাছ কাটেন। আমি ওনার কাছেই আসি।’

নিয়ামতের পাশে বসে মাছ কাটছিলেন মো. মিরাজুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘চাচার মনের জোর আমাগের চাইতি বেশি। এহনও ভোরে বাজারে আসা নিজের ছাউনির ত্রিপল নিজিই টাঙায়। তারপর মাছ কাটপের বসে।’

ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে নদীতে মাছ ধরতেন নিয়ামত। প্রায় ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত করেছেন মাছের ব্যবসা। এরপর মাছ কাটার কাজ শুরু করেন। পাবনা শহরের বড় বাজার, লাইব্রেরি বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এখন মাসুম বাজারে বসেন। চার দশকের বেশি সময় ধরে এই কাজ করছেন তিনি।

নিয়ামতের চার ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে ও মেয়ে মারা গেছেন। বাকি তিন ছেলের দুজন প্রহরীর কাজ করেন, একজন অটোরিকশা চালান। একই বাড়িতে থাকলেও সবার সংসার আলাদা। স্ত্রীকে নিয়ে তিনি আলাদা থাকেন। কথা বলতে বলতে একটু থামেন নিয়ামত। তারপর বলেন, ‘ছেলেরা নিজেরাই ঠিকমতো সুংসার চালাবের পারে না, আমাগের বুড়েবুড়ির কী দেখপি। ১৮ দিন অসুস্থ ছিলেম। জমানো কয়ডা টাকা ভাঙে খাইছি। ইকটু সুস্থ হয়ে আবার বাজারে আইছি।’

"ছেলেরা নিজেরাই ঠিকমতো সুংসার চালাবের পারে না, আমাগের বুড়েবুড়ির কী দেখপি। ১৮ দিন অসুস্থ ছিলেম। জমানো কয়ডা টাকা ভাঙে খাইছি। ইকটু সুস্থ হয়ে আবার বাজারে আইছি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাবনা শহরতলি, চর বলরামপুর গ্রাম, মাসুম বাজার, সিঙ্গা বাইপাস এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিয়ামত মোল্লা, আজিজুর রহমান, মো. মিরাজুল বিশ্বাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮ বছর ১১ মাস (বয়স), ২০ টাকা (১ কেজি মাছের দাম), ১০০-১২০ টাকা (ছোট মাছের দাম), ২০০-৩০০ টাকা (দৈনিক আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖