📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝিনাইদহে সার সংকটে ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের উত্তেজনা: গোডাউনে লুকিয়ে থাকা সার দেখে বিক্ষোভ

ঝিনাইদহে সার সংকটে ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের উত্তেজনা: গোডাউনে লুকিয়ে থাকা সার দেখে বিক্ষোভ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় সার না পাওয়ার কারণে কৃষকরা ডিলার পয়েন্ট ঘেরাও করে বিক্ষোভ করলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ শুরু হয়। তবে ডিলার শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না এবং গোডাউনে লুকিয়ে থাকা ৬০ বস্তা সার কৃষকদের কাছে আসে

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় সার বিতরণের অভাবে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জামাল ইউনিয়নের দুধরাজপুর গ্রামের ডিলার পয়েন্টে কৃষকরা সার পাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ শুরু হয়। তবে নির্ধারিত ডিলার শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না এবং গোডাউনে লুকিয়ে থাকা সার কৃষকদের কাছে আসে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় সার না পাওয়ার কারণে কৃষকরা ডিলার পয়েন্ট ঘেরাও করে বিক্ষোভ করলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ শুরু হয়।
  • 📌 ডিলার শহিদুল ইসলামের ৬৪ টন সারের মধ্যে ৫৮ টন উত্তোলন করা হলেও কৃষকদের কাছে মাত্র ৫ শতাংশেরও কম সার পৌঁছেছে।
  • 📌 গোডাউনে লুকিয়ে থাকা ৬০ বস্তা সার কৃষকদের কাছে আসে, যা প্রায় ১ হাজার ২০০ বস্তা সারের সমতুল্য।
  • 📌 সার বিতরণের রেজিস্টারে মাত্র ৫ শতাংশ কৃষকের ফোন নম্বর উল্লেখ করা ছিল, বাকিরা ফোন বন্ধ পেয়েছেন।
  • 📌 উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত জামিল বলেছেন, সার বিতরণের রেজিস্টার পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং উপজেলা কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় আরও সার পাঠানো হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের দুধরাজপুর গ্রামের ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণের অভাবে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। কৃষকদের জানানো হয়েছিল যে, সার বিতরণ হবে রোববার, কিন্তু ডিলার পয়েন্টে গেলে জানানো হয়, শুক্রবার ও শনিবার সার বিতরণ করা হয়েছে। এতে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তারা ডিলার পয়েন্ট ঘেরাও করে।

কৃষকরা গোডাউন খুলে দেখতে পান প্রায় ৬০ বস্তা সার। ডিলার শহিদুল ইসলামের চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ৬৪ টন সারের চাহিদা ছিল, যার মধ্যে তিনি প্রথম সপ্তাহে ৫৮ টন উত্তোলন করেছেন। ৫৮ টন সারে প্রায় ১ হাজার ২০০ বস্তা হয়। তবে সার বিতরণের রেজিস্টারে মাত্র ৫ শতাংশ কৃষকের ফোন নম্বর উল্লেখ করা ছিল। বাকি আটজনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উপস্থিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত জামিল বলেন, ‘এখানে যে সার আছে, তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করছি। উপজেলা কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় আরও সার আনা হচ্ছে। সেগুলোও কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি সার বিতরণের রেজিস্টার পরীক্ষা করে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা দেখা হচ্ছে।’

অভিযুক্ত ডিলার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যে সার উত্তোলন করেছিলাম, তা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সারের রেজিস্টার রয়েছে, চাইলে দেখতে পারেন। চাহিদার তুলনায় কম সার পাওয়া গেলে আমার কী করার আছে?’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত সেখানে কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হচ্ছে। সেখানে আরও সার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

"এখানে যে সার আছে, তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করছি। উপজেলা কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় আরও সার আনা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কালীগঞ্জ উপজেলা, ঝিনাইদহ, জামাল ইউনিয়ন, দুধরাজপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরাফাত জামিল (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা), শহিদুল ইসলাম (ডিলার), মাহবুব আলম রনি (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বস্তা সার, ৬৪ টন সার, ৫৮ টন সার, ১ হাজার ২০০ বস্তা সার, ৫ শতাংশ কৃষক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖