📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁ মহাদেবপুরে শিক্ষিকা সন্তান মারা গেলেও শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করে অভিযোগে

নওগাঁ মহাদেবপুরে শিক্ষিকা সন্তান মারা গেলেও শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করে অভিযোগে

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁ মহাদেবপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুন সন্তান মারা যাওয়ার পরও তার নামে শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে আক্রান্ত হন। প্রধান শিক্ষিকা অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন

নওগাঁ মহাদেবপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সন্তান মারা যাওয়ার পরও তার নামে শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে আক্রান্ত হন। এই অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহাদেবপুর উপজেলার দাউল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুনের বিরুদ্ধে সন্তান মারা যাওয়ার পরও শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন বছর আগে মারা যাওয়া প্রতিবন্ধী সন্তানের নামে অনিয়ম করে শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে।
  • 📌 প্রধান শিক্ষিকা মোছা. জামালুল ফেরদৌস অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, জুলাই মাসের বেতন-ভাতা বিবরণীতে দুই সন্তানের বিপরীতে এক হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
  • 📌 অভিযুক্ত শিক্ষিকা দাবি করেছেন, সন্তান মারা যাওয়ার পর তিনি ভাতা বন্ধের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করেননি।
  • 📌 মহাদেবপুর উপজেলা হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান শিক্ষিকার দাবিকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু রাইহান জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

মহাদেবপুর উপজেলার দাউল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সন্তান মারা যাওয়ার পরও তার নামে শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের। প্রধান শিক্ষিকা মোছা. জামালুল ফেরদৌস অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, ২০২৩ সালে মারা যাওয়া প্রতিবন্ধী সন্তানের নামে অনিয়ম করে শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। এমনকি সন্তানকে কোনো বিদ্যালয়ে ভর্তি না করিয়ে এই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসের বেতন-ভাতা বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা যায়, দুই সন্তানের বিপরীতে এক হাজার টাকা শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা অতিরিক্ত উত্তোলন করা অর্থ সমন্বয় এবং অভিযোগটি তদন্তের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুন জানান, সন্তান মারা যাওয়ার পর তিনি মহাদেবপুর অ্যাকাউন্টস অফিসে লিখিত আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বলে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, তিনি ইচ্ছাকৃত কোনো অনিয়ম করেননি।

অন্যদিকে, মহাদেবপুর উপজেলা হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান শিক্ষিকার দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষিকার দাবি সত্য নয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু রাইহান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"২০২৩ সালে সন্তান মারা যায়। ভাতা বন্ধের জন্য আবেদন করলাম, কিন্তু কর্মকর্তারা বললেন ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে। আমি কোনো অনিয়ম করেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাদেবপুর উপজেলা, নওগাঁ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. জুলেখা খাতুন (সহকারী শিক্ষিকা), মোছা. জামালুল ফেরদৌস (প্রধান শিক্ষিকা), সৈয়দ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান (হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা), আবু রাইহান (উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক হাজার টাকা (শিক্ষা ভাতা), ২০২৩ (সন্তান মারা যাওয়া বছর), জুলাই ২০২৬ (বেতন-ভাতা বিবরণী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖