📌 নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলায় দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় অভিযানে ৮২টি নিষিদ্ধ চায়না জাল জব্দ করা হয়। জালের মূল্য ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগুনে ধ্বংস করা হয়
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার রক্ষায় দুটি অভিযানে ৮২টি নিষিদ্ধ চায়না জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮২টি নিষিদ্ধ চায়না জাল জব্দ করা হয় নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলায়
- 📌 জব্দকৃত জালের ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের জাল আগুনে ধ্বংস করা হয়
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী
- 📌 অভিযান পরিচালিত হয় ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত
📰 বিস্তারিত
৩ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের তাম্বুলিপাড়া এলাকা ও চিরাং ইউনিয়নের কালিয়ান বিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার রক্ষা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী অভিযানের নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এই ধরনের জাল দেশীয় মাছের প্রজননকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে।
জব্দকৃত জালের আনুমানিক মূল্য ছিল ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এই জালগুলো নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল, যা মাছের প্রজননকে বিপদে ফেলে রেখেছে।
"দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার রক্ষায় এই ধরনের জাল জব্দ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে যাতে আর কোনো অবৈধ ব্যবহার না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলা, তাম্বুলিপাড়া এলাকা ও কালিয়ান বিল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২টি জাল, ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!