📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় শুক্রবার দুপুরে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। মা, বোন ও অপর চালক আহত হন। দুর্ঘটনায় মরদেহ দুটো থানায় রাখা আছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত এবং মা, বোন ও অপর চালক আহত হন। দুর্ঘটনা ঘটে উপজেলার নেত্রকোনা-কেন্দুয়া রোডের দূর্গাপুর মোড়ের কাছে লাহিড়ী বাড়ির সামনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুপুর ১১টায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হন
- 📌 নিহতরা: দলিল লেখক মাহমুদুল হক শাহিন (৪০) ও তার ছেলে রাজিন (৫)
- 📌 আহতরা: শাহিনের স্ত্রী তুহিনা আক্তার (৩০), কন্যা মুমু (৭) ও অপর চালক ওয়াশিদ (৩৫)
- 📌 দুপুর ১২টায় এলাকাবাসী আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান, বাবা-ছেলেকে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 মরদেহ দুটো কেন্দুয়া থানায় রাখা আছে, আইনগত ব্যবস্থা চলছে
📰 বিস্তারিত
সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১১টার দিকে দলিল লেখক মাহমুদুল হক শাহিন (৪০) তার স্ত্রী তুহিনা আক্তার (৩০), ছেলে রাজিন (৫) ও কন্যা মুমু (৭) নিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে কেন্দুয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। দূর্গাপুর মোড়ের কাছে লাহিড়ী বাড়ির সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে শাহিন ও তার ছেলে রাজিন নিহত হন, স্ত্রী ও কন্যা আহত হন। অপর মোটরসাইকেল চালক নান্দাইল উপজেলার অরন্যপাশা গ্রামের ওয়াশিদ (৩৫)ও গুরুতর আহত হন।
এলাকাবাসীর সহায়তায় আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বাবা-ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন এবং শাহিনের স্ত্রী ও কন্যাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আহত চালক ওয়াশিদ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য চলে যান।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুটি মরদেহ থানায় রাখা আছে। ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলছে।
"দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ দুটো থানায় রাখা আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা উপজেলা, কেন্দুয়া, দূর্গাপুর মোড়, লাহিড়ী বাড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুল হক শাহিন (৪০), রাজিন (৫), তুহিনা আক্তার (৩০), মুমু (৭), ওয়াশিদ (৩৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আহত, দুপুর ১১টায় সংঘর্ষ, ৪০ বছর বয়সী বাবা, ৫ বছর বয়সী ছেলে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!