📌 ঢাকার মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার ঘটনায় পুলিশ ডিজিএফআই’র দুই কর্মকর্তা ও আনসার সদস্যসহ মোট ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল দলের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়
ঢাকার মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার ঘটনায় পুলিশ ডিজিএফআই’র দুই কর্মকর্তা এবং আনসার সদস্যসহ মোট ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে, এবং রোববার ভোরে শেরেবাংলা নগরের শিশু হাসপাতালের সামনে গ্রেফতারকৃতদের পুলিশ ধরতে পেরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার ঘটনায় পুলিশ ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে ডিজিএফআই’র দুই কর্মকর্তা ও আনসার সদস্য অন্তর্ভুক্ত
- 📌 গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে: ডিজিএফআই সদর দফতরের সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯), ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য সোহেল রানা (৩২), নিরাপত্তা প্রহরী মুকুল গাজী (২৬), মাহফুজুর রহমান (২২) ও জিয়াউল ইসলাম (৩৫)
- 📌 ব্যবসায়ীকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাকে মারধর করে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ঘটনাস্থলে তিনি আসামিদের ৭০ হাজার টাকা দিয়েও তাদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি
- 📌 গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের নিয়ে সেনাসদর থেকে যাচাই করা হয়, পরে তাদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুর থানার মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফের সাথে আনসার সদস্য সোহেল রানার ঘনিষ্ঠতা ছিল। শনিবার সোহেল তাকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যান, যেখানে সোনিয়া নামে এক নারীকে তার বোন বলে পরিচয় করিয়ে দেন। সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল মোটরসাইকেল কেনা। কিন্তু বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে সোহেল বের হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর বাকি আসামিরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে মারধর করে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। তিনি ঘটনাস্থলেই আসামিদের ৭০ হাজার টাকা দেন, কিন্তু তারা সন্তুষ্ট না হলে আরও মারধর করে। শরীফ তার পরিবারকে ফোন দিয়ে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন। তাকে ওই বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
রোববার ভোর ৩টার দিকে আসামিরা তাকে ওই বাড়ি থেকে নামিয়ে একটি টয়োটা গাড়িতে উঠায়। গাড়িটি শেরেবাংলা নগরে শিশু হাসপাতালের উল্টো দিকে রেখে আসামিরা চা পান করতে নামে। এই সময় বাদী একটি পুলিশের গাড়ি দেখতে পেয়ে দৌড় দিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে সহায়তা চায়। টহল পুলিশ তাৎক্ষণিক ছয়জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারে পর দুই ডিজিএফআই সদস্যকে নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরে সেনাসদর থেকে কর্মকর্তারা থানায় আসেন এবং বিষয়টি যাচাই করেন। এরপর তাদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন জানানো হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
"মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পাশাপাশি বাসা হওয়ার সুবাদে আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এরপর শনিবার সোহেল রানা তাকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরীফ (ব্যবসায়ী), সোহেল রানা (আনসার সদস্য), আল মামুন (ডিজিএফআই সার্জেন্ট), নুরুজ্জামান (ডিজিএফআই ল্যান্স করপোরাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন গ্রেফতার, ১০ লাখ টাকা চাঁদা, ৩৯ বছর (আল মামুন), ৩১ বছর (নুরুজ্জামান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!