📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির উঠানে বালতির পানিতে পড়ে ১১ মাসের শিশু পলাশ আহমেদের মৃত্যু হয়েছে। মা পপি বেগম গরুর গা ধোয়ার সময় অসাবধানতায় ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বাড়ির উঠানে রাখা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে ১১ মাসের শিশু পলাশ আহমেদের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলাডাঙ্গা গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু পলাশ আহমেদ ওই গ্রামের মো. হারুন বলী ও পপি বেগমের একমাত্র সন্তান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ মাস বয়সী পলাশ আহমেদ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে বালতির পানিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
- 📌 শিশুটির মা পপি বেগম গরুর গা ধোয়ার কাজে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় অসাবধানতায় ঘটনা ঘটে।
- 📌 হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- 📌 ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম সুজা জানান, শিশু অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে আর উঠতে পারেনি।
- 📌 গাংনী থানার ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাইজিংবিডি.কমের তথ্য অনুযায়ী, শিশু পলাশ বাড়ির উঠানে খেলছিল। তার মা পপি বেগম গরুর গা ধোয়ার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অসাবধানতাবশত শিশু পাশে থাকা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায়। পরে তার মা তাকে বালতি থেকে তুলে দ্রুত গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাসেল রানা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। ষোলটাকা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম সুজা জানান, শিশু পলাশ অসাবধানতাবশত বালতির পানিতে পড়ে আর উঠতে পারেনি। হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরিবার ও এলাকায় এই দুর্ঘটনার কারণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
"হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।"
"শিশু অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে আর উঠতে পারেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলাডাঙ্গা গ্রাম, গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ আহমেদ (১১ মাস), পপি বেগম, মো. হারুন বলী, ডা. রাসেল রানা, আরিফুল ইসলাম সুজা, মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ মাস (শিশুর বয়স), ১৯ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৬ নং ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!