📌 ইথিওপিয়ার টিগ্রে অঞ্চলে ২০২২ সালের শান্তিচুক্ত ভাঙ্গার পর আবার শুরু হয়েছে যুদ্ধ। প্রতিবেদকরা যুদ্ধের প্রথমদিকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে বাধ্য হন। আল জাজিরার প্রতিবেদকদের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, কীভাবে তারা শেলিং ও তাপের মধ্যে সত্য দেখতে চেষ্টা করছিলেন
ইথিওপিয়ার টিগ্রে অঞ্চলে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে আবার শুরু হয়েছে যুদ্ধ। চার বছর আগে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি ভাঙ্গার পর টিগ্রে জনগণের মুক্তি ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) এবং ইথিওপিয়া সরকারের সমর্থিত টিগ্রে শান্তি বাহিনী (টিপিএফ) এর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষের শুরু হয় আফার অঞ্চলের এরবেটি এলাকায়, যেখানে ২০২২ সালের শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের সময় বিতর্কের বিষয় ছিল অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ ও অঞ্চলভিত্তিক দাবি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া টিগ্রে যুদ্ধে অর্ধেক মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু ও ২ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল — এই যুদ্ধের স্মৃতি প্রতিবেদকদেরকে আবার যুদ্ধের মাঝে সত্য দেখতে বাধ্য করে তুলেছে।
- 📌 ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবার শুরু হওয়া সংঘর্ষে প্রতিবেদকদের দলের সদস্যরা এরবেটি এলাকায় পৌঁছানোর পর শেলিং শুনতে পান এবং শুধু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এলাকাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- 📌 প্রতিবেদকদের দল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপে আফদেরা শহরে আশ্রয় নেয় এবং পরবর্তী দিনে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার কারণে তারা আবার এরবেটি এলাকার দিকে যাত্রা করে।
- 📌 সৈন্যদের সাথে কথা বলার সময় তাদেরকে তৎক্ষণাৎ এলাকাটি ত্যাগ করতে বলা হয় — শেলিংয়ের শব্দে ভীত হয়ে প্রতিবেদকরা তাদের সরঞ্জাম সংগ্রহ করে পালিয়ে যায়।
📰 বিস্তারিত
২০২১ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া টিগ্রে যুদ্ধে অর্ধেক মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু এবং ২ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। এই যুদ্ধের স্মৃতি প্রতিবেদকদেরকে আবার যুদ্ধের মাঝে সত্য দেখতে বাধ্য করে তুলেছে। প্রতিবেদকদের দলের একজন বলেছেন, “আমি আবার যুদ্ধের মাঝে পড়েছি। এই যুদ্ধের স্মৃতি আমাকে আবার সত্য দেখতে বাধ্য করেছে।”
২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, ইথিওপিয়ার টিগ্রে অঞ্চলে আবার সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রতিবেদকদের দলের সদস্যরা এবারও যুদ্ধের প্রথমদিকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে চেয়েছিলেন। তারা এবারও এডিস আবাবা থেকে আফার অঞ্চলের এরবেটি এলাকায় যাত্রা শুরু করেন। এরবেটি এলাকায় পৌঁছানোর পর তারা দেখেন, স্থানীয়রা তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন।
প্রতিবেদকদের দলের সদস্যরা বলেন, “আমরা এরবেটি এলাকায় পৌঁছানোর পর শেলিংয়ের শব্দ শুনতে পেয়েছি। আমরা শুধু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এলাকাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। আমাদের কোনো পরিকল্পনা ছিল না, কিন্তু যুদ্ধের বাস্তবতা আমাদেরকে বাধ্য করে তুলেছে।”
তাপের কারণে প্রতিবেদকদের দল আফদেরা শহরে যাত্রা করে। আফদেরা শহরটি আফার অঞ্চলের একটি ছোট শহর, যেখানে লবণ খনন করা হয়। তারা শহরে পৌঁছানোর পর দেখেন, শহরটি তাপের কারণে খুবই উত্তপ্ত। তারা তাদের গাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং তাপের কারণে তাদের শক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
পরদিন তারা আবার এরবেটি এলাকার দিকে যাত্রা করে। কিন্তু যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার কারণে তারা আবারও শেলিংয়ের শব্দ শুনতে পান। তারা সৈন্যদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন, কিন্তু সৈন্যদের দ্বারা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ এলাকাটি ত্যাগ করতে বলা হয়। প্রতিবেদকদের দল শেলিংয়ের শব্দে ভীত হয়ে তাদের সরঞ্জাম সংগ্রহ করে পালিয়ে যায়।
"আমি আবার যুদ্ধের মাঝে পড়েছি। এই যুদ্ধের স্মৃতি আমাকে আবার সত্য দেখতে বাধ্য করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এরবেটি, আফার অঞ্চল, ইথিওপিয়া; আফদেরা, আফার অঞ্চল, ইথিওপিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইথিওপিয়ার প্রতিবেদকদের দল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর; ২ মিলিয়ন বাস্তুচ্যুত; ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!