📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে নলছিটি

খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে নলছিটি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নলছিটি উপজেলার খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে ডুবে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় হাজারো মানুষ গৃহবন্দী, শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না এবং রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন দ্রুত ভাঙনরোধের পদক্ষেপ নেওয়া হোক

নলছিটি উপজেলায় খায়রাবাদ নদীর তীব্র ভাঙনে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে ডুবে গেছে। সোমবার সকাল ১১টায় নদীর ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা দাবি জানান, দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে এলাকার মানুষের জীবন বিপদে পড়বে। ভাঙনের কারণে উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের প্রধান সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে ডুবে গেছে
  • 📌 ভাঙনের কারণে ভরতকাঠি গ্রামের প্রধান সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে
  • 📌 হাজারো মানুষ গৃহবন্দী, শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না এবং রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না
  • 📌 ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন, পানি উন্নয়নবোর্ড ঝালকাঠি দ্রুত বেড়িবাধ নির্মাণ বা জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের পদক্ষেপ নেয়া উচিত
  • 📌 নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন

📰 বিস্তারিত

সোমবার সকাল ১১টায় খায়রাবাদ নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। দপদপিয়া ইউনিয়ন খায়রাবাদ নদী ভাঙন প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক মো. রুহুল আমিন হাওলাদার ও সদস্য সচিব মো. রমজান আইকন জানান, খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। তারা দাবি করেন, দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে এলাকার মানুষের মরন ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

ভাঙনের কারণে উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের প্রধান সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় হাজারো মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেতে পারছেন না। রোগীরা বিনা চিকিৎসায় ধুয়ে যাচ্ছেন।

নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডু জানান, খায়রাবাদ নদী ভাঙনের বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

"খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে আমাদের এলাকায় শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে আমাদের মরন ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। আমাদের এলাকার রোগীরা বিনা চিকিৎসায় ধুকে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। আমাদের দাবি পানি উন্নয়নবোর্ড ঝালকাঠি দ্রুত বেড়িবাধ নির্মাণ অথবা জিও ব্যাগ ফেলে আমাদেরকে রক্ষা করুন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নলছিটি উপজেলা, দপদপিয়া ইউনিয়ন, খায়রাবাদ নদী, ভরতকাঠি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রুহুল আমিন হাওলাদার, মো. রমজান আইকন, প্রতীক কুমার কুন্ডু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শতাধিক পরিবার, হাজারো মানুষ, সকাল ১১টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖