📌 মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি নারী ১৫০ জনের কাছ থেকে ভাতা কার্ডের বিনিময়ে ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের প্রতারণা চালিয়েছিলেন
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি নারী ১৫০ জনের কাছ থেকে ভাতা কার্ডের বিনিময়ে ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সাহিদা বেগম (৫০) নামের এই নারীকে গ্রেপ্তার করে উপজেলা আদালতে হস্তান্তর করেন। তিনি উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের নীলটেক এলাকার মৃত শেখ সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ১৫০ জনের কাছ থেকে ভাতা কার্ডের বিনিময়ে ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে সাহিদা বেগম (৫০) গ্রেপ্তার হন।
- 📌 প্রতারণাকারী নারী প্রত্যেক গ্রাহককে ৫০০ টাকা করে নেন, মোট আত্মসাৎ টাকা ৭৫ হাজার।
- 📌 উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রওশন আলী মণ্ডল বলেন, সরকারি কোনো ভাতা কার্ডের জন্য টাকা নেওয়া বৈধ নয়।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত সাহিদা স্বীকার করেন, প্রতারণায় জড়িত একটি সুসংগঠিত চক্রের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে অনলাইন অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার প্রলোভন দেওয়া হত, পরে আরও টাকা বিনিয়োগের কথা বলা হত।
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সায়েস্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ১৫০ জন মানুষের কাছ থেকে ভাতা কার্ডের বিনিময়ে ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে সাহিদা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাহিদা বেগম ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের বিনিময়ে প্রত্যেক গ্রাহককে ৫০০ টাকা করে নেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রওশন আলী মণ্ডল জানান, সাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সরকারি কোনো ভাতা বা ফ্যামিলি কার্ড সুবিধা পেতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। কেউ কার্ডের বিনিময়ে টাকা দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর কিংবা পুলিশকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।”
সাহিদা বেগম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে, তিনি প্রতারণায় জড়িত একটি সুসংগঠিত চক্রের সাথে সম্পর্কিত। তিনি বলেন, প্রথমে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হত। পরে আরও মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হত। একপর্যায়ে প্রতারকেরা ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে প্রতারণা চালিয়েছিলেন।
"সায়েস্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ১৫০ মানুষের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সাহিদা বেগম আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিংগাইর, মানিকগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাহিদা বেগম (৫০), মো. রওশন আলী মণ্ডল, শেখ সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ হাজার টাকা, ১৫০ জন, ৫০০ টাকা, ৯০টি অর্ডার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!