📌 মাগুরা থেকে বাবার মৃতদেহ দেখতে বাড়ি ফিরছিলেন নূর আলম (৪৫)। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। ভায়রাভাই আকিদুল ইসলাম সামান্য আহত হন। দুর্ঘটনাকারী গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি
মাগুরা থেকে বাবার মৃতদেহ দেখতে বাড়ি ফিরছিলেন নূর আলম (৪৫)। দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান এবং ভায়রাভাই আকিদুল ইসলাম সামান্য আহত হন। গত বুধবার রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের স্বস্তিপুর এলাকায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নূর আলম (৪৫) বাবার মৃতদেহ দেখতে মাগুরা থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন, পথে দুর্ঘটনায় মারা যান
- 📌 দুর্ঘটনায় ভায়রাভাই আকিদুল ইসলাম সামান্য আহত হন
- 📌 দুর্ঘটনাকারী গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি
- 📌 পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে
- 📌 নূর আলমের বাবা জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি মাগুরা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন
📰 বিস্তারিত
বাবা জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পেয়ে কর্মস্থল মাগুরা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন নূর আলম। তিনি দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে মাগুরায় থাকতেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে নূর আলম তাঁর ভায়রাভাই আকিদুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে মাগুরা থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। স্বস্তিপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির ধাক্কা লাগে। একপর্যায়ে নূর আলম ও আকিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিটকে পড়েন। পরে পেছন থেকে আসা আরেকটি গাড়ি নূর আলমের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
চৌড়হাস হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকারী গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আকিদুল ইসলাম সামান্য আহত হলেও তিনি বেঁচে গেছেন।
এই দুর্ঘটনায় একই দিনে বাবা ও ছেলের মৃত্যুতে দৌলতপুরের লালনগর গ্রামে শোক নেমেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার উভয়ের জানাজা ও দাফনের কথা আছে।
"গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, স্বস্তিপুর এলাকা, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূর আলম (৪৫), আকিদুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম (এসআই), জসিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!