📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মৃত ঘোষিত শিশুকে 'জীবিত' বলে হাসপাতালে ভাঙচুর-হামলা, চারজন আহত

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মৃত ঘোষিত শিশুকে 'জীবিত' বলে হাসপাতালে ভাঙচুর-হামলা, চারজন আহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত ঘোষিত তিন বছরের শিশুকে 'জীবিত' বলে স্বজনরা হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে চিকিৎসকসহ চারজন আহত হন। ঘটনায় পুলিশ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত ঘোষিত শিশুকে 'জীবিত' বলে স্বজনদের উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকসহ চারজন আহত হন। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত ঘোষিত তিন বছরের শিশু রাফিকে 'জীবিত' বলে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর ও হামলা চালায়
  • 📌 চিকিৎসক জান্নাতুল রিয়া, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার আবদুস সামাদ, জরুরি বিভাগের কর্মী বিজয় ও নিরাপত্তা কর্মী আহত হন
  • 📌 শিশুর বাবা সাব্বির আহমেদ দাবি করেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে কোনো চিকিৎসক তাঁদের কোনো তথ্য দেননি
  • 📌 মিরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে অভিযান চালাচ্ছে
  • 📌 হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ব্যাপক ভাঙচুর হয়, তবে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়নি

📰 বিস্তারিত

শুক্রবার সকাল আটটার দিকে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নওদাপাড়া এলাকার সাব্বির আহমেদের ছেলে রাফি (৩) পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করলে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুটিকে মৃত ঘোষণার পর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্বজন ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে পড়েন এবং হাসপাতালের ১১ নম্বর কক্ষসহ বিভিন্ন অংশের কাচ, চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করেন।

চিকিৎসক জান্নাতুল রিয়া বলেন, জরুরি বিভাগে শিশুটিকে আনার পরপরই তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয় যে, পানিতে ডুবে যাওয়ার পর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হঠাৎ করে শিশুটির স্বজনেরা উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুর শুরু করেন।

মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পীযূষ কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, জরুরি বিভাগে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি সিভিল সার্জন ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে ঘটনার পরও হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়নি। ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

"জরুরি বিভাগে শিশুটিকে আনার পরপরই তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যায়, পানিতে ডুবে যাওয়ার পর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।"

শিশুর বাবা সাব্বির আহমেদের দাবি, হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন চিকিৎসক একবার শিশুটির বুক পরীক্ষা করে কক্ষে চলে যান। এরপর ২০ থেকে ২৫ মিনিট কোনো চিকিৎসক তাঁদের কিছু জানাননি। পরে আরেকজন চিকিৎসক এসে শিশুটিকে পরীক্ষা করেন। এ নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে কক্ষের কাচ ভেঙে যায়। তবে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনেরা হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসককে হেনস্তা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা চলে যান। পরে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাঁদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার পর হাসপাতালে যান মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুষ্টিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিকিৎসক জান্নাতুল রিয়া, সাব্বির আহমেদ, পীযূষ কুমার সাহা, মো. শহিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর (শিশুর বয়স), ১১ নম্বর কক্ষ, ২০-২৫ মিনিট (অতিবিলম্ব), ৪ জন আহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖