📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কদমতলীতে গলাকাটা মৃত্যুর পিছনে স্বামীর সন্দেহ: খাটের নিচে পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহ

কদমতলীতে গলাকাটা মৃত্যুর পিছনে স্বামীর সন্দেহ: খাটের নিচে পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কদমতলীতে এক নারীর গলাকাটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ইয়ানূর বেগম (২৫) রাতের ঝগড়ার কথা মায়ের কাছে জানিয়েছিলেন, সকালে খাটের নিচ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বামী জুয়েল এখনও পলাতক। পুলিশ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার সন্দেহ করছে

কদমতলীর একটি বাসায় রাতের ঝগড়ার পর সকালে খাটের নিচ থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইয়ানূর বেগম (২৫) নামের নারীর গলাকাটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, যার স্বামী জুয়েল এখনও পলাতক অবস্থায় রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ইয়ানূরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কদমতলী থেকে ইয়ানূর বেগম (২৫) নামের নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয় শুক্রবার দুপুরে।
  • 📌 রাতের ঝগড়া সম্পর্কে ইয়ানূর তার মাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, কিন্তু সকালে তার খোঁজ নেওয়া গেলে বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
  • 📌 খাটের নিচে পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহ। ইয়ানূরের ছোট ভাই ইমাম হোসেন তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে রক্তের দাগ দেখতে পান।
  • 📌 স্বামী জুয়েল এখনও পলাতক। পুলিশের ধারণা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
  • 📌 মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
  • 📌 ইয়ানূর আগে বিয়ে করেছিলেন, বিবাহবিচ্ছেদের পর জুয়েলের সাথে বিয়ে করেন। আগের স্বামীর সংসারে তার একটি পাঁচ বছরের ছেলে রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর কদমতলী থানার ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পাঁচতলা ভবনের ফ্ল্যাটে ইয়ানূর বেগম সাবলেট হিসেবে স্বামী জুয়েলের সাথে থাকতেন। ইয়ানূর পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোয়াবাড়িয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদারের মেয়ে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইয়ানূর ও জুয়েলের বিয়ে হয়েছিল নিজেদের পছন্দে। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়, যা ইয়ানূর তার মাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন।

শুক্রবার সকালে ইয়ানূরকে ফোন দিলেও না পেয়ে তার ছোট ভাই ইমাম হোসেন বাসায় আসেন। সেখানে তিনি দেখেন, কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সন্দেহ হলে তিনি তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং মেঝেতে রক্তের দাগ দেখতে পান। পরে খোঁজাখুঁজির সময় খাটের নিচ থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুন নাহার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইয়ানূরকে হত্যা করা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ইয়ানূরের আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং তার একটি পাঁচ বছরের ছেলে রয়েছে, যিনি নানা-নানির কাছে থাকে।

"প্রাথমিকভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ইয়ানূরকে হত্যা করা হয়েছে, এমন ধারণা পুলিশের"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কদমতলী, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ানূর বেগম (২৫), জুয়েল, ইমাম হোসেন, এসআই কামরুন নাহার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ৬১ নম্বর ওয়ার্ড, ১২:৩০ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖