📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কদমতলীতে গলা কাটা হত্যাকাণ্ড: স্বামী পালিয়ে গেলে খাটের নিচে পাওয়া গৃহবধূর লাশ

কদমতলীতে গলা কাটা হত্যাকাণ্ড: স্বামী পালিয়ে গেলে খাটের নিচে পাওয়া গৃহবধূর লাশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার কদমতলীতে এক গৃহবধূকে গলা কাটা হত্যা করে স্বামী পালিয়ে গেলে তার লাশ খাটের নিচে গোপন করে রাখা হয়েছিল। নিহত ইয়ানুর (২৫) এর ভাই ইমাম হোসেন বাসায় খুঁজতে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশের ধারণা, স্বামী জুয়েল ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন

ঢাকার কদমতলীতে এক গৃহবধূকে গলা কাটা হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কদমতলী ডিপটির গলির একটি বাসায় নিহত ইয়ানুর (২৫) এর লাশ খাটের নিচে গোপন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল এবং বিছানার চাদর দিয়ে মোড়ানো ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ বছর বয়সী ইয়ানুরকে গলা কাটা হত্যা করে স্বামী জুয়েল পালিয়ে গেছেন বলে পুলিশের ধারণা
  • 📌 খাটের নিচে গোপন রাখা লাশ উদ্ধার করা হয় বেলা সাড়ে ১২টায়, বিছানার চাদর দিয়ে মোড়ানো ছিল
  • 📌 নিহতের ভাই ইমাম হোসেন বোনকে ফোনে না পেয়ে বাসায় খুঁজতে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন
  • 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জুয়েল ও ইয়ানুর তিন মাস আগে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্যে ঝগড়া ছিল
  • 📌 নিহতের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার গুয়াবাড়িয়া গ্রামে, সেখানে বাবা হানিফ হাওলাদার

📰 বিস্তারিত

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ বেলা সাড়ে ১২টায় বাসার তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। এসআই বলেন, নিহত ইয়ানুরের ভাই ইমাম হোসেন বোনকে ফোনে না পেয়ে বাসায় খুঁজতে আসেন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে গিয়ে খাটের নিচে তাঁর বোনের মরদেহ দেখে থানায় খবর দেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জুয়েল ও ইয়ানুর তিন মাস আগে জুয়েল ও ইয়ানুর স্বামী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। নিহত ইয়ানুরের ছোট ভাই ইমাম হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার গুয়াবাড়িয়া গ্রামে। ইয়ানুরের বাবা হানিফ হাওলাদার। এক বোন এক ভাইয়ের মধ্যে ইয়ানুর বড় ছিলেন।

ইমাম হোসেন বলেন, ইয়ানুর সাত বছরের ছেলে সন্তান রেখে এক বছর আগে জুয়েলের সঙ্গে পালিয়ে চলে আসেন। এর আগে জুয়েল আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। ইয়ানুরের মৃত্যুর আগে জুয়েলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না।

"তাঁদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার গুয়াবাড়িয়া গ্রামে। এক বোন এক ভাইয়ের মধ্যে ইয়ানুর বড় ছিলেন। বাবার নাম হানিফ হাওলাদার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কদমতলী, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ানুর (২৫), ইমাম হোসেন, জুয়েল, হানিফ হাওলাদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (ইয়ানুরের বয়স), ১২ টা (উদ্ধার সময়), ৩ মাস (বাসা ভাড়া নেওয়ার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖