📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জয়পুরহাটে লাখো ড্রাগনগাছের বিশাল বাগানে কর্মসংস্থান মিলছে ৬০ জনের

জয়পুরহাটে লাখো ড্রাগনগাছের বিশাল বাগানে কর্মসংস্থান মিলছে ৬০ জনের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে উদ্যোক্তা হেদায়েত হোসেন শিপলুর প্রতিষ্ঠিত ৫০ বিঘা ড্রাগন বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৬০ জনের। উচ্চমূল্যের ফলটির চাষে এলাকার মানুষের জীবিকা পরিবর্তনের পাশাপাশি এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের বাগজানা গ্রামে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক ড্রাগন ফলের বাগান। উদ্যোক্তা হেদায়েত হোসেন শিপলুর প্রতিষ্ঠিত এই বাগানে প্রায় লক্ষাধিক ড্রাগনগাছ রয়েছে। গত বছর প্রথমবারের মতো পুরোদমে ফলন আসায় এখন সেখানে নিয়মিত কাজ করছেন প্রায় ৬০ জন শ্রমিক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে অবস্থিত ৫০ বিঘা জমির বিশাল ড্রাগন বাগানটির মালিক তরুণ উদ্যোক্তা হেদায়েত হোসেন শিপলু
  • 📌 ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই বাগানে এখন প্রায় লক্ষাধিক ড্রাগনগাছ রয়েছে
  • 📌 প্রথমবারের মতো পুরোদমে ফলন আসায় বাগানে নিয়মিত কাজ করছেন প্রায় ৬০ জন শ্রমিক
  • 📌 শ্রমিকদের অধিকাংশই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারী ও পুরুষ
  • 📌 প্রতি কেজি ড্রাগন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে
  • 📌 জেলায় বর্তমানে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন চাষ হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

হেদায়েত হোসেন শিপলুর প্রতিষ্ঠিত এই ড্রাগন বাগানটি জয়পুরহাট জেলার অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক ফলের বাগান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাঁর নিজের ৭ বিঘা জমির পাশাপাশি আরও ৪৩ বিঘা জমি ১৫ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে তিনি এই বিশাল প্রকল্পটি গড়ে তুলেছেন। একসময় পতিত থাকা এই জমিগুলোতে এখন লক্ষাধিক ড্রাগনগাছে ভরে উঠেছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, সারিবদ্ধ প্রায় প্রতিটি গাছেই পাকা ড্রাগন ঝুলছে। শ্রমিকেরা গাছ থেকে ড্রাগন সংগ্রহ করে আকার ও মান অনুযায়ী আলাদা করছেন। বাগানের এক পাশে চলছে প্যাকেটজাতের কাজ। পরে ট্রাকে করে এসব ড্রাগন পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

বাগান দেখতে আসা দক্ষিণ দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা রত্না বেগম বলেন, ‘এত বড় ড্রাগনবাগান আগে দেখিনি। গাছে গাছে ড্রাগন দেখে খুব ভালো লাগছে। এমন বাগান এলাকায় আরও হওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প এলাকার মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

হেদায়েত হোসেন শিপলু জানান, একসময় পতিত থাকা জমিগুলোতে তিনি থাই, বারী-১, ভিয়েতনাম, হলুদ ও পলেরা—এই পাঁচ জাতের ড্রাগনের চাষ শুরু করেন। বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘চাকরি করলে হয়তো শুধু নিজের পরিবার চলত। কিন্তু কৃষিকে বেছে নেওয়ায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই বাগান শুধু ব্যবসা নয়, এলাকার মানুষের জীবিকারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।’

বাগানে কাজ করা শ্রমিক জুয়েল হোসেন বলেন, ‘এখানে সারা বছরই কাজ পাওয়া যায়। নিয়মিত আয় হওয়ায় সংসার চালাতে সুবিধা হচ্ছে।’ অন্যদিকে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শ্রমিক পারভীন টপ্প বলেন, ‘আগে কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যেতে হতো। এখন এই বাগানেই নিয়মিত কাজ পাই। এতে পরিবারের খরচ চালানো সহজ হয়েছে।’

"ড্রাগন একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও উচ্চমূল্যের ফল। জেলায় প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এ ড্রাগন চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ ধরনের উদ্যোগ জেলার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেলা, পাঁচবিবি উপজেলা, বাগজানা ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হেদায়েত হোসেন শিপলু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ জন শ্রমিক, ৫০ বিঘা জমি, ৭ বিঘা নিজস্ব জমি, ১৫ বছর ইজারা, ১৬০-১৮০ টাকা প্রতি কেজি, ২০ হেক্টর জেলায় ড্রাগন চাষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖