📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাতিয়া উপজেলায় অপরিকল্পিত খাল খনন: ভাঙনের ঝুঁকিতে ৫ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ও বেড়িবাঁধ

হাতিয়া উপজেলায় অপরিকল্পিত খাল খনন: ভাঙনের ঝুঁকিতে ৫ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ও বেড়িবাঁধ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অপরিকল্পিত খাল খননের ফলে ৫ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ও বেড়িবাঁধ ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়রা দাবি, খাল খননের সময় নকশা অনুযায়ী কাজ করা হয়নি, ফলে বর্ষা মৌসুমে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অপরিকল্পিতভাবে খাল খননের ফলে দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বেড়িবাঁধ ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, খাল খননের সময় নকশা অনুযায়ী কাজ করা হয়নি, ফলে বর্ষা মৌসুমে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। এতে ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ছে এবং ছয়-সাতটি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নে অপরিকল্পিত খাল খননের ফলে ৫ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে
  • 📌 খাল খননের সময় বেকু মেশিন ব্যবহার করে গাছপালা কেটে ফেলা হয় এবং ঢাল না রাখায় বর্ষা মৌসুমে পাড় ভেঙে পড়ছে
  • 📌 দাসের হাট বাজারের কাছে প্রবাসী জামালের আধাপাকা বাড়ির রান্নাঘর ঝুঁকিতে রয়েছে, যেটি হঠাৎ খালের পাড় ভেঙে গেলে মূল বসতঘরও ব্যবহার করা সম্ভব হবে না
  • 📌 জোড়খালী গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেনের দাবি, চার গ্রামের মানুষকে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করতো বেড়িবাঁধ, কিন্তু এখন তা ভেঙে যাচ্ছে
  • 📌 ৬৭ বছর বয়সী আবুল হাসেমের রান্নাঘর স্রোতে ভেসে গেছে, বর্তমানে তিনি মূল ঘরেও বসবাস করতে পারছেন না
  • 📌 উপজেলা প্রকৌশলী ইমদাদুল হক জানান, ঢাকায় তৈরি নকশা অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়, কিন্তু এক ইঞ্চি কমবেশি মাটি কাটার ফলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের কাটাখালী খালের খননকাজে অপরিকল্পিতভাবে কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অধীনে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের উদ্দেশ্যে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এই খাল খননের কাজ শুরু হয়েছিল। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইথিন এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে গত বছর শীত মৌসুমে দীর্ঘ খালটির খননকাজ শেষ হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, খননকাজে বেকু মেশিন ব্যবহার করা হয়েছিল এবং খালের দুই পাড়ের গাছপালা কেটে ফেলা হয়েছিল।

খালের গভীরতা বাড়ানোর ফলে বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তীব্র স্রোতে খালের পাড় ভেঙে পড়েছে। এরপর থেকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দুই পাশের মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ভাঙতে শুরু করেছে। দাসের হাট বাজারের উত্তর পাশে সেতুর কাছে প্রবাসী জামালের বাড়ি হঠাৎ খালের পাড় ভেঙে গেলে তার আধাপাকা বাড়ির উত্তর পাশ ভেঙে পড়েছে। তিনি জানান, গত বছর বিদেশ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাড়ির রান্নাঘরটি এখন ঝুঁকিতে রয়েছে।

জোড়খালী গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেনের দাবি, খালের প্রথম অংশে যে বেড়িবাঁধ ছিল, সেটি চার গ্রামের মানুষকে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করতো। কিন্তু অপরিকল্পিত খাল খননের ফলে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। তিনি জানান, পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ খালের দুই পাশে ঘনবসতি রয়েছে এবং নদী থেকে শুরু হয়ে প্রথম দুই কিলোমিটার অংশের দুই পাড়ে আগে থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ ছিল। তবে বেড়িবাঁধের পাশে গভীর গর্ত করে মাটি কাটায় এখন সেই বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।

৬৭ বছর বয়সী আবুল হাসেমের বাড়ি নদীভাঙনের শিকার হয়ে ২০ বছর ধরে এখানে অবস্থান করছে। তিনি জানান, খাল খননের ফলে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যে তাঁর রান্নাঘর স্রোতে ভেসে গেছে। তিনি মূল ঘরেও বসবাস করতে পারছেন না এবং ঘরের আসবাব বেড়িবাঁধের ওপর প্রতিবেশীদের ঘরে রেখে দিয়েছেন।

"আমরা ডিজাইন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করেছি। কর্মকর্তারা আমাদের কাজ পরিমাপ করে বুঝে নিয়েছেন। সরকারের একাধিক দপ্তর থেকে এ কাজ বুঝে নেওয়ার জন্য কর্মকর্তারা এসেছেন। সবাই কাজের মান নিয়ে সন্তুষ্ট। এখানে কাজে ফাঁকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।"

এ বিষয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি আমিরুল ইসলাম আইয়ুব চৌধুরী বলেন। তবে স্থানীয়রা দাবি, খাল খননের সময় নকশা অনুযায়ী কাজ করা হয়নি এবং যে অংশে খাল খননের প্রয়োজন ছিল না, সেই অংশ খনন করা হয়েছে। এতে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে এবং মানুষের উপকারের চেয়ে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা, তমরদ্দি ইউনিয়ন, কাটাখালী খাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসী জামাল, আজগর হোসেন, আবুল হাসেম (৬৭), উপজেলা প্রকৌশলী ইমদাদুল হক, ঠিকাদার প্রতিনিধি আমিরুল ইসলাম আইয়ুব চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কিলোমিটার (খালের দৈর্ঘ্য), ২ কোটি টাকা (খাল খননের ব্যয়), ৬৭ বছর (আবুল হাসেমের বয়স), ২০ বছর (নদীভাঙনের শিকার হয়ে বসবাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖