📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জমি সীমানা বেড়া দেওয়ার কারণে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। ১৫টি বসতঘর ভাঙচুরের শিকার হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে শান্তি ফিরিয়ে আনে
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জমি সীমানা বেড়া দেওয়ার কারণে বুধবার দুপুরে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ১৫টি বসতঘর ভাঙচুরের শিকার হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে জমি বেড়া সংঘর্ষে ১০ জন আহত
- 📌 সংঘর্ষে ১৫টি বসতঘর ভাঙচুরের শিকার হয়
- 📌 সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল জমি সীমানা বেড়া দেওয়া
- 📌 আহতদের মধ্যে রয়েছে মো. কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্যান্য ব্যক্তি
- 📌 পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখে
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে জমি সীমানা বেড়া দেওয়ার কারণে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন মেহেরদিয়া গ্রামের মো. কালাম মুন্সী ও নুর ইসলাম মুন্সীর সমর্থকরা।
বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তাঁর ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দিতে গেলে নুর ইসলামের সমর্থকরা তাঁকে মারধর করেন। সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে জড়ো হয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় সংঘর্ষকারীরা ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে মো. কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, ‘জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’
"জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুরের সালথা উপজেলা, গট্টি ইউনিয়ন, মেহেরদিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কালাম মুন্সী, নুর ইসলাম মুন্সী, ওসি মো. বাবলুর রহমান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!