📌 ভোলার মনপুরায় মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা ও যুবদল নেতা হাফেজ আবদুর রহিমের অডিওতে দেখা যায়, মাগরিবের আগে টাকা না পেলে বোটে আগুন জ্বালানোর হুমকি। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকারের লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে
ভোলার মনপুরা উপজেলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও যুবদল নেতার মধ্যে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও রেকর্ডে দেখা যায়, মৎস্য ব্যবসায়ীদের টাকা না দিলে বোটে আগুন জ্বালানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা ও যুবদল সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা বলেছেন, 'মাগরিবের আগে বাকি টাকা পাঠান, না হলে সব বোটে আগুন জ্বালাই দেব'।
- 📌 ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 ২৫-৩০ হাজার টাকা প্রত্যেক ট্রলার থেকে নেওয়া হয়, যা তিন ভাগ করে বিতরণ করা হয়।
- 📌 অডিওতে মৎস্য ব্যবসায়ী রহিম বলেছেন, 'আপনি আমাকে যেভাবে সেভ করুন'।
- 📌 উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি তদন্তের পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
মনপুরা উপজেলায় মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা ও যুবদল নেতা হাফেজ আবদুর রহিমের মধ্যে একটি অডিও রেকর্ডে দেখা যায়, মৎস্য ব্যবসায়ীদের টাকা না দিলে বোটে আগুন জ্বালানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে। অডিওতে কাজল রেখা বলেছেন, 'রহিম ভাই, একটা প্যাঁচ দিয়ে থুইয়া গেছেন। আমি অভিযান করতে পারি না। বাকি টাকা মাগরিবের আগে পাঠান, না দিলে সব বোটে আগুন জ্বালাই দেব'।
মৎস্য ব্যবসায়ী রহিমের জবাবে বলা হয়, 'যা করেন করেন, ফরটি ফাইভ দিছি। আপনি আমাকে সেভ করুন'। কাজল রেখা আরও বলেছেন, 'আমাকে চা খাওয়ার জন্যেও টাকা দেননি। চা খাওয়ার টাকা দিলেও খুশি হতাম'।
অডিওতে দেখা যায়, মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা প্রত্যেক ট্রলার থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকারের অনুমতি দিচ্ছেন। এই টাকা তিন ভাগ করে বিতরণ করা হয়, যার মধ্যে একটি অংশ যুবদল নেতা হাফেজ আবদুর রহিমের কাছে যায়।
উপজেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন প্রিন্স অডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, 'এই হলো গরিবের পেটে লাথি মারার অবরোধ, সবকিছু ভাগবাটোয়ারার খেলা'।
অভিযুক্ত মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি শুনেছেন এবং সত্যতা নিশ্চিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছেন এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবিব বলেছেন, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"রহিম ভাই, একটা প্যাঁচ দিয়ে থুইয়া গেছেন। আমি না পারি অভিযান করতে। বাকি টাকা মাগরিবের আগে পাঠাই দিয়েন, না দিলে সব বোটে আগুন জ্বালাই দিমু।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মনপুরা উপজেলা, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজল রেখা (মৎস্য কর্মকর্তা), হাফেজ আবদুর রহিম (যুবদল সচিব), শামসুদ্দিন মোল্লা (যুবদল আহ্বায়ক), মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন (জেলা মৎস্য কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ২৫-৩০ হাজার টাকা প্রত্যেক ট্রলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!