📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ধামরাইয়ে সৎবাবার নির্মমতার শিকার কিশোরী, ধর্ষণ ও মাকে বেঁধে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার

ধামরাইয়ে সৎবাবার নির্মমতার শিকার কিশোরী, ধর্ষণ ও মাকে বেঁধে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ধামরাইয়ে সৎবাবা তার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে ১৪ বছর বয়সী সৎমেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাতে

ধামরাই উপজেলার কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় সৎবাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হন এক কিশোরী। ঘটনার পর স্থানীয়দের উত্তেজিত হয়ে ওঠায় গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই তাকে মারধর করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধামরাইয়ের কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় সৎবাবা তার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে ১৪ বছর বয়সী সৎমেয়েকে ধর্ষণ করেন
  • 📌 ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে
  • 📌 গ্রেপ্তার হওয়ার আগে স্থানীয়দের মারধরের শিকার হন অভিযুক্ত আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার
  • 📌 ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
  • 📌 ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু

📰 বিস্তারিত

ধামরাই উপজেলার কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার। তার স্ত্রী রেডিও সেন্টারে রান্নার কাজ করেন। আগের সংসারে তার দুই মেয়ে রয়েছে। সাত বছর আগে আজাহারুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি তার দুই সৎ মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। ওষুধ খাওয়ার পর বড় মেয়ে ও ছোট মেয়ে আলাদা দুটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে।

রাত চারটার দিকে আজাহারুল তার স্ত্রীর হাত-পা রশি দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন এবং মুখে কসটেপ পেঁচিয়ে দেন। পরে তিনি বড় মেয়ের কক্ষে ঢুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ছোট মেয়ে মায়ের হাতের বাঁধন খুলে দিলে তিনি বড় মেয়েকে উদ্ধার করেন। পরে কিশোরীটি জানায়, এর আগেও একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছেন তার সৎ বাবা।

বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার সন্ধ্যায় আজাহারুল বাসায় ফিরলে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে তাকে আটকে রেখে মারধর করেন। খবর পেয়ে ধামরাই থানার পুলিশ গিয়ে আজাহারুলকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

"ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।"

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের উত্তেজনার কারণে অভিযুক্তকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধামরাই উপজেলার কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার (৩৬), নাজমুল হুদা খান (ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ঘটনার সময়কাল ১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটা থেকে ২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পর্যন্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖