📌 চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় আইসক্রিম উৎপাদনকারী একটি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের অভিযোগে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। কারখানার মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় একটি আইসক্রিম কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। অভিযানে কারখানার মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর বাজারে অবস্থিত 'মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ' নামের কারখানায় আইসক্রিম উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়
- 📌 কারখানায় কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হতো, অভিযানে বিপুল পরিমাণ উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়
- 📌 কারখানার মালিক মো. আব্দুল মান্নানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দ
- 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাহবুব সারোয়ারসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা
📰 বিস্তারিত
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন কারখানাটিতে অভিযান চালায়। অভিযানকারীরা দেখতে পান যে, কারখানায় কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ উৎপাদিত আইসক্রিম ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন মালামাল পাওয়া যায়, যা পরে ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারখানাটির মালিক মো. আব্দুল মান্নানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দ জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও ভেজাল পণ্য রোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে লোহাগাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাহবুব সারোয়ারসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
"জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও ভেজাল পণ্য রোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, লোহাগাড়া উপজেলা, আধুনগর বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দ, মালিক মো. আব্দুল মান্নান, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাহবুব সারোয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, ১২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!