📌 চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীরা শ্রমিকের ফোন ভেঙে দেওয়ার প্রতিবাদে শ্রমিকেরা সাত ঘণ্টা পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে কাজ শুরু হয়
চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীরা শ্রমিকের ফোন ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় শ্রমিকেরা সোমবার প্রায় সাত ঘণ্টা পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখেন। ঘটনার প্রতিবাদে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দরসংলগ্ন এলাকায় জট তৈরি হয়। আন্তজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সমাজকল্যাণ সম্পাদক শামসুজ্জামান সুমন প্রথম আলোকে ঘটনার বিবরণ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীরা শ্রমিকের ফোন ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় শ্রমিকেরা সাত ঘণ্টা পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখেন
- 📌 শ্রমিকের ফোন ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে বেলা তিনটার দিকে বন্দর গেটে
- 📌 শ্রমিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর ফোন মেঝেতে ছুড়ে ভেঙে ফেলেন
- 📌 শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সাথে বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়
- 📌 রাত ১০টার দিকে শ্রমিকেরা কাজে ফিরে গেলে বন্দরসংলগ্ন এলাকায় গাড়ির জট তৈরি হয়
📰 বিস্তারিত
শামসুজ্জামান সুমন জানান, বেলা তিনটার দিকে একজন পরিবহনশ্রমিক বন্দর গেটে পাস নিতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি টাকা দাবি করেন। শ্রমিকের প্রতিবাদ জানিয়ে ফোনে ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর ফোন মেঝেতে ছুড়ে ভেঙে ফেলেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিকেরা সাত ঘণ্টা পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখেন।
পরবর্তীতে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের বৈঠক হয়। বৈঠকে শ্রমিকদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে শ্রমিকেরা কাজে ফিরে গেলে বন্দরসংলগ্ন এলাকায় গাড়ির জট তৈরি হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
"বেলা তিনটার দিকে একজন পরিবহনশ্রমিক গেট পাস নিতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি টাকা দাবি করেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ওই শ্রমিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর মুঠোফোনটি মেঝেতে ছুড়ে ভেঙে ফেলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামসুজ্জামান সুমন, সৈয়দ রেফায়েত হামিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাত ঘণ্টা, রাত ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!