📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাওরাঞ্চলে গবাদিপশুর খাদ্য সংকটে কৃষকদের বিপদ: জলাবন কাটতে বাধ্য নৌকায় নেমে

হাওরাঞ্চলে গবাদিপশুর খাদ্য সংকটে কৃষকদের বিপদ: জলাবন কাটতে বাধ্য নৌকায় নেমে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। ৬ লাখেরও বেশি গবাদিপশুর খাদ্য জোগান নিশ্চিত করতে জলাবন কাটতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা চাইতে থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ যথেষ্ট নয়

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্যের তীব্র সংকটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বন্যার মধ্যে ধান কেটে ঘরে তুলতে সক্ষম হলেও খড় তুলতে পারেননি তারা। ফলে গরু-মহিষের খাদ্য সংস্থান নিশ্চিত করতে জলাবন ও কচুরিপানা সংগ্রহে বাধ্য হচ্ছেন হাওর এলাকার মানুষেরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জে ৬ লাখ ১০ হাজার ৯৯০টি গবাদিপশু রয়েছে, যার মধ্যে ৫ লাখ ৪০ হাজার গরু, ২১ হাজার ১০০ মহিষ ও ৪৯ হাজার ৮৯০ ছাগল
  • 📌 অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ফলন ডুবে যাওয়ায় গোখাদ্য সংস্থান ব্যাহত, কৃষকরা জলাবন কাটতে নৌকায় নেমেছেন
  • 📌 তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জসহ তিন উপজেলার শনি হাওরে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের কৃষক জলাবন সংগ্রহে অংশ নিচ্ছেন
  • 📌 গোখাদ্যের অভাবে অনেক কৃষক গরু বিক্রি করছেন, নজরুল ইসলামের মতো কেউ মহিষকে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পাঠিয়েছেন
  • 📌 সুনামগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান মিয়া বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে গোখাদ্য সহায়তার বরাদ্দ যথেষ্ট নয়

📰 বিস্তারিত

হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবিকার অন্যতম উৎস বোরো আবাদ ও গবাদিপশুপালন। কিন্তু গত এপ্রিলে অতিবৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে হাওরের বোরো ফলন ডুবে যাওয়ায় এবার গোখাদ্য সংস্থান ব্যাহত হয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জে মোট ৬ লাখ ১০ হাজার ৯৯০টি গবাদিপশু রয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৪০ হাজার গরু, ২১ হাজার ১০০ মহিষ ও ৪৯ হাজার ৮৯০ ছাগল।

শনি হাওর ঘুরে দেখা গেছে, পানির মধ্যে থেকে জলাবন হিসেবে পরিচিত আগাছাজাতীয় বড় বড় ঘাস-লতা স্থির ভাসছে। কৃষকরা নৌকায় করে এই জলাবন কাটছেন। তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জসহ তিন উপজেলা নিয়ে শনি হাওরের বিস্তৃতি। প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের কৃষক এই হাওরে আসে জলাবন কাটতে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলাবন সংগ্রহকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। টইটম্বুর হাওরের মাঝে নৌকায় করে জলাবন কাটছিলেন নূর ইসলাম, মুকুল রায় ও আলী নূরসহ কয়েকজন কৃষক।

তাহিরপুরের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের শাহগঞ্জ গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, খড়ের অভাবে মহিষগুলো চার মাস আগে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। জামালগঞ্জের বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত সামন্ত সরকার বলেছেন, ‘কৃষকের কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে গোখাদ্য সহায়তার বিষয়টি ভাবা দরকার।’

তাহিরপুরের মহালিয়া হাওর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. সিরাজুল হক বলেছেন, ফলনমরা বছর হওয়ায় বেশির ভাগ মানুষ খড় ঘরে তুলতে পারেননি। গোখাদ্যের অভাবে অনেকেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। সুনামগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান মিয়া বলেছেন, জেলায় প্রায় ছয় লাখের বেশি গবাদিপশু আছে। গোখাদ্যের সংকটের সময় সহায়তার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হলেও বরাদ্দ যথেষ্ট নয়।

"কৃষকের কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে গোখাদ্য সহায়তার বিষয়টি ভাবা দরকার"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চল (শনি হাওর, টইটম্বুর হাওর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম, সুব্রত সামন্ত সরকার, মো. সিরাজুল হক, মো. মিজানুর রহমান মিয়া, নূর ইসলাম, মুকুল রায়, আলী নূর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ১০ হাজার ৯৯০টি গবাদিপশু, ৫ লাখ ৪০ হাজার গরু, ২১ হাজার ১০০ মহিষ, ৪৯ হাজার ৮৯০ ছাগল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖