📌 মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকতাউ শহরের একটি বাজারে ৩৩ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়। রাখাইন আর্মি জানায়, বাজারটি রাজ্যের প্রধান হাট ছিল। সেনাবাহিনী বলেছে, তারা শুধু বৈধ সামরিক লক্ষ্য আক্রমণ করে
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকতাউ শহরের একটি বাজারে ৩৩ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়। এই আক্রমণটি রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি বাজারে সংঘটিত হয়, যেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন আসত। রাখাইন আর্মি জানায়, এই হামলায় বাজারের বিক্রেতা, ক্রেতা ও পথচারীসহ ৩৩ জন নিহত হয়েছে, এবং মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকতাউ শহরের বাজারে ৩৩ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়
- 📌 রাখাইন আর্মি জানায়, বোমা হামলায় বাজারটি ধ্বংসপ্রাপ্ত, এবং মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
- 📌 রাখাইন রাজ্য একটি প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে Traders এবং ক্রেতারা আসতেন
- 📌 মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলেছে, তারা শুধু বৈধ সামরিক লক্ষ্য আক্রমণ করে, কিন্তু বিরোধী দলগুলোকে তারা 'রাজনৈতিক আত্মঘাতী' বলে অভিযোগ করে
- 📌 রাখাইন আর্মি ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে রাজ্যের ১৭ টি থানার মধ্যে ১৪ টি দখল করেছে
- 📌 সংঘাতের কারণে রাখাইন রাজ্যে প্রায় ৫ লক্ষ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাখাইন আর্মি জানায়, সকাল ১২টা (গ্লোবাল সময় ০৫৩০) কিয়াউকতাউ শহরের একটি বাজারে একটি যুদ্ধবিমান থেকে দুটি বোমা পড়ে। এই হামলায় বাজারের বিক্রেতা, ক্রেতা ও পথচারীসহ ৩৩ জন নিহত হয়। রাখাইন আর্মির তথ্য অনুযায়ী, এই হামলা ছিল রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত সবচেয়ে মারাত্মক বিমান হামলার মধ্যে একটি।
রাখাইন রাজ্যের একজন উচ্চপদস্থ উদ্ধার কর্মকর্তা ওয়াই হুন আং এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, এই বাজার ছিল রাজ্যের প্রধান হাট, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে Traders এবং ক্রেতারা আসতেন। তিনি বলেন, “এটি রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত সবচেয়ে মারাত্মক বিমান হামলার মধ্যে একটি।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, হামলায় বাজারের ভবন জ্বলে উঠেছে, গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি নিকটবর্তী সেতুর অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী তৎক্ষণাত কোনো মন্তব্য করেনি, তবে তারা আগে বলেছেন যে তারা শুধু বৈধ সামরিক লক্ষ্য আক্রমণ করে এবং বিরোধী দলগুলোকে তারা 'রাজনৈতিক আত্মঘাতী' বলে অভিযোগ করে।
২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারের নেতা আং সান সু কি’র সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমার সংঘাতের মধ্যে রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে ১০০,০০০ এরও বেশি লোক মারা গেছেন, বলে জানা যায়।
রাখাইন আর্মি একটি প্রশিক্ষিত ও সশস্ত্র সামরিক দল, যারা রাখাইন রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বায়ত্তশাসনের দাবি করে। তারা ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আক্রমণ শুরু করে এবং এখন পর্যন্ত রাজ্যের ১৭ টি থানার মধ্যে ১৪ টি দখল করেছে। সেনাবাহিনী রাজ্যের বাণিজ্য পথে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে, যা খাদ্য সংকটকে আরও খারাপ করেছে।
ডিসেম্বর মাসে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একটি বিমান হামলায় রাখাইন রাজ্যের মরু’উ শহরের একটি হাসপাতালে ৩৩ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়। সংঘাতের কারণে রাখাইন রাজ্যে প্রায় ৫ লক্ষ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে, বলে জাতিসংঘের তথ্য। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের মানবাধিকার অবস্থা “নতুন নিম্নস্তরে” নেমে এসেছে, যেখানে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে “বrutal abuse” এবং অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যকলাপের কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে।
"মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিয়াউকতাউ শহর, রাখাইন রাজ্য, মিয়ানমার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াই হুন আং (উচ্চপদস্থ উদ্ধার কর্মকর্তা), রাখাইন আর্মি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ জন নিহত, ৩৬ জন আহত, ৫ লক্ষ বাস্তুচ্যুত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!