📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুকুরে বিষপ্রয়োগে ১৪ লাখ টাকার মাছ লুট: মৎস্যচাষী অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুকুরে বিষপ্রয়োগে ১৪ লাখ টাকার মাছ লুট: মৎস্যচাষী অভিযোগ

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকার একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। মৎস্যচাষী জাহিদুল ইসলাম সেলিম অভিযোগ করেছেন, নিমাই হলদারসহ ৩০-৪০ জনের একটি দল পুকুরে বিষ ছড়িয়ে মাছ ধরে নিয়ে গেছে। পুলিশ এ বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন মৎস্যচাষী মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম (৫৫)। তিনি দাবি করেছেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে ভোর ৫টার মধ্যে নিমাই হলদারসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুকুরে বিষ ছড়িয়ে মাছ ধরে নিয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকার একটি ৪ দশমিক ৯৮ একর পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 মৎস্যচাষী জাহিদুল ইসলাম সেলিম (৫৫) অভিযোগ করেছেন, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে নিমাই হলদারসহ ৩০-৪০ জনের একটি দল পুকুরে বিষ ছড়িয়ে প্রায় ১০০ মণ মাছ লুট করেছে।
  • 📌 বিষপ্রয়োগে পুকুরে প্রায় ১৫ মণ পোনা মাছ মারা যায়, আর ১০ মণ মাছ পানিতে ভেসে উঠে স্থানীয়রা ধরে নিয়ে যায়।
  • 📌 মোট ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। জাহিদুল ইসলাম পুলিশের দ্বারস্থ হন।
  • 📌 অভিযুক্ত নিমাই হলদার দাবি করেছেন, অন্য একজন ব্যক্তি তাদেরকে মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন।
  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেছেন, অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকায় অবস্থিত একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। এই পুকুরটি ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য ইজারা নেওয়া হয়েছিল। লিজ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন মো. সারিউল ইসলামসহ কয়েকজন। তবে পুকুরের মাছ চাষের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন মৎস্যচাষী জাহিদুল ইসলাম সেলিম।

জাহিদুল ইসলাম সেলিম অভিযোগ করেছেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে ভোর ৫টার মধ্যে নিমাই হলদারসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরে নিয়ে গেছে। তারা কাপাজাল ব্যবহার করে প্রায় ১০০ মণ মাছ লুট করেছে। বিষের তীব্রতায় পুকুরের প্রায় ১৫ মণ পোনা মাছ মারা যায়, যার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। আর পানিতে ভেসে উঠা ১০ মণ মাছ স্থানীয়রা ধরে নিয়ে যায়, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় তার প্রায় ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

জাহিদুল ইসলাম ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুকুরে ছুটে যান এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে পারেন। অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। অভিযুক্ত নিমাই হলদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেছেন, অন্য একজন ব্যক্তি তাদেরকে মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি পরে জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন এবং আর কল রিসিভ করেননি।

"অন্য একজন ব্যক্তি তাদেরকে মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি পরে জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, দক্ষিণ শহর এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম (৫৫), নিমাই হলদার, ওসি একরামুল হোসাইন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা (ক্ষতি), ১০০ মণ মাছ (লুট), ১৫ মণ পোনা মাছ (মারা যায়), ৩০-৪০ জন (অভিযুক্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖