📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে কথিত দালালদের হামলায় রোগী কানিজা আফরোজ (৪০) ও তার ছেলে মো. তাজ (২৩) আহত হন। ঘটনায় মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কথিত দালালদের হামলায় রোগী কানিজা আফরোজ (৪০) ও তার ছেলে মো. তাজ (২৩) আহত হন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঘটনাটি ঘটে। আহত কানিজা আফরোজ বালুবাগান এলাকার বাসিন্দা ফজলুর রহমান বিপ্লবের স্ত্রী। তাঁকে হাসপাতালেই মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে কথিত দালালদের হামলায় মা-ছেলে দুজন আহত হন
- 📌 কানিজা আফরোজের (৪০) মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়, ছেলে মো. তাজ (২৩) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত
- 📌 হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে লিটন নামের ব্যক্তি রোগীকে বাইরে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন
- 📌 মারধরের সময় কানিজা আফরোজের মাথা ফেটে যায়, পরে হাসপাতালেই সেলাই করা হয়
- 📌 ঘটনায় অভিযুক্ত লিটন ফোনে যোগাযোগ না দেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
কানিজা আফরোজের অভিযোগ, তার ছেলে মো. তাজ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গতকাল মঙ্গলবার চিকিৎসক তাঁকে সিবিসি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। সরকারি হাসপাতালে ওই পরীক্ষা করা হয় কি না, তা জানতে আজ সকালে হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে যান তিনি। সেখানে লিটন নামের এক ব্যক্তি তাঁদের কাছে এসে বলেন, সরকারি হাসপাতালে সিবিসি পরীক্ষা করা হয় না। তিনি বাইরে থেকে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন মিলে তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন কানিজা আফরোজ।
কানিজা আফরোজ বলেন, মারধরের সময় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং মাথা ফেটে যায়। পরে হাসপাতালেই তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিটনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ঘটনার পর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে কানিজা আফরোজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মাহবুব রহমান বলেন, ‘রোগী ও হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় বলে অভিযোগ থাকা একটি চক্রের সদস্যদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তি আইনি সহায়তা চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’
"আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে সিবিসি পরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে এসেছিলাম। কিন্তু লিটন নামের ব্যক্তি বললেন, সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয় না। পরে তাঁরা আমাকে ও আমার ছেলেকে মারধর করেন। মাথায় আঘাত লাগে এবং মাথা ফেটে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল, বালুবাগান এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানিজা আফরোজ (৪০), মো. তাজ (২৩), লিটন, মাহবুব রহমান (আরএমও), একরামুল হোসাইন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা, ৪০ বছর, ২৩ বছর, ১৬ সেপ্টেম্বর, ১০ টা সাড়ে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!