📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদপুরে মাছঘাটে নিষেধাজ্ঞা উঠার পর হাজার টন পচা-নরম ইলিশের বাজার: জেলেরা কীভাবে মজুত করেছিল?

চাঁদপুরে মাছঘাটে নিষেধাজ্ঞা উঠার পর হাজার টন পচা-নরম ইলিশের বাজার: জেলেরা কীভাবে মজুত করেছিল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের মাছঘাটে প্রায় এক হাজার টন ইলিশের বাজার। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই নরম ও পচা, যার অধিকাংশ নোয়াখালী ও ভোলার। জেলেরা অভিযান চলাকালীন মজুত করে রাখা মাছ সরাসরি বিক্রি করছে।

মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে মাছ ধরা শুরু হলে, জেলার বড় মাছঘাটে বিক্রির জন্য আনতে দেখা গেল প্রায় এক হাজার টন ইলিশ। তবে এসব মাছের অধিকাংশই নরম ও পচা অবস্থায় ছিল। নিষেধাজ্ঞা উঠার পর এত বড় পরিমাণে ইলিশের উপস্থিতি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদপুর মাছঘাটে নিষেধাজ্ঞা উঠার পর আনতে দেখা গেল প্রায় ১০০০ টন ইলিশ, এর মধ্যে ৭০ শতাংশই নরম ও পচা
  • 📌 ৩০ শতাংশ ইলিশ চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার, বাকি ৭০ শতাংশ নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার
  • 📌 জেলেরা অভিযান চলাকালীন মজুত করে রাখা মাছ সরাসরি বিক্রি করছে, প্রতিমন ১৫ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 পদ্মা-মেঘনায় ধরা পড়া কেজি আকারের ইলিশের দাম ২৪০০ টাকা, ৮০০-৯০০ গ্রামের ২০০০ টাকা, ছোট ইলিশের দাম ৬০০ টাকা কেজি
  • 📌 জেলেরা জানান, অভিযান শেষে মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরা পড়েছে, কিছু জেলে ১২ হাজার টাকার ইলিশ ধরেছেন

📰 বিস্তারিত

শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁদপুরের বড় মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক হাজার টন ইলিশ বিক্রির জন্য নামানো হয়েছে। এসব ইলিশের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই ছোট, নরম ও পচা অবস্থায় ছিল। জেলেরা জানান, অভিযান শেষে তারা সরাসরি এসব মাছ চাঁদপুর মাছঘাটে নিয়ে আসছেন। এসব মাছের অধিকাংশই নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার থেকে এসেছে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত প্রথম আলোকে বলেন, অভিযান শেষে আজ সকালে মাছঘাটে আনতে দেখা গেল প্রায় এক হাজার টন ইলিশ। এর মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশই চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার ইলিশ। বাকি ৭০ শতাংশই নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় জেলেরা নদী ও সাগর থেকে ধরা ইলিশকে কোনো রকম মজুত করে রাখতে পারেনি। কারণ, নিষেধাজ্ঞার সময় বরফের সরবরাহ থাকে না। ফলে এসব ইলিশ নরম ও পচা অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জেলে লিটন তপাদার বলেন, অভিযান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেঘনা নদীতে নামেন ইলিশ ধরতে। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত নদীতে জাল ফেলে তিনি ১২ হাজার টাকার ইলিশ ধরেছেন। পরে এসব মাছ হরিনা ঘাটে এনে পাইকারি দামে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, অন্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি ইলিশ পেয়েছেন। আরেক জেলে আবুল কালাম জানান, সাতজন মিলে মধ্যরাতে মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরতে নামেন। তাদের জালে ধরা পড়া ইলিশ বিক্রি করেছেন ১৫ হাজার টাকা।

চাঁদপুর মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী আকবর হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞার পর প্রথমদিন ভালো পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে। পদ্মা-মেঘনায় ধরা পড়া কেজি আকারের ইলিশের দাম পড়ছে ২৪০০ টাকা। আর ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজি প্রতি দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাগরের ইলিশের দাম কেজি প্রতি ১৫০০ টাকা, ছোট ৪০০-৫০০ গ্রামের ইলিশের দাম কেজি প্রতি ৬০০ টাকা।

"অভিযান শেষে আজ সকালে চাঁদপুর মাছ ঘাটে প্রায় ১ হাজার টন ইলিশ বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন জেলেরা। এর মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ চাঁদপুরের পদ্মা–মেঘনার ইলিশ। বাকি ৭০ শতাংশ নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার ইলিশ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদপুর মাছঘাট, পদ্মা-মেঘনা নদী, হাতিয়া, ভোলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শবে বরাত (মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক), লিটন তপাদার, আবুল কালাম, আকবর হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ১০০০ টন ইলিশ, ৭০ শতাংশ নরম-পচা, ৩০ শতাংশ চাঁদপুরের ইলিশ, ১২ হাজার টাকা, ২৪০০ টাকা/কেজি (পদ্মা-মেঘনা ইলিশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖