📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গরুটি অসুস্থ থাকায় মারা যাওয়ার পর জবাই করা হয়েছিল
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার সোনাহাট কলেজ মোড় এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলামকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা
- 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক
- 📌 অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলাম ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের কামাত আঙ্গারীয়া গ্রামের বাসিন্দা
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, অসুস্থ গরুটি মারা যাওয়ার পর জবাই করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট কলেজ মোড় এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলামকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাইমুল ইসলাম মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে গরু জবাই করলেও প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, গরুটি অসুস্থ থাকায় মারা যাওয়ার পর জবাই করা হয়েছিল। তবে গরুটি অসুস্থ ছিল কি না তা নিশ্চিত হওয়া গেলেও জবাইয়ের আগে গরুটি মারা গিয়েছিল কি না তা স্পষ্ট হয়নি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশিকুজ্জামান জানান, জবাই করা গরুর মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পুলিশ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া একই সময়ে নাটোরের সিংড়া বাজারে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে বিপ্লব কুন্ডু নামে এক ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ৭৩ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে।
‘মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে গরু জবাই করার জন্য প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। জবাই করা গরুর মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।’ — উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশিকুজ্জামান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাইমুল ইসলাম, ডা. আশিকুজ্জামান, আমিনুল হক তারেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ হাজার টাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ৭৩ বস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!