📌 বগুড়ায় পাওনা টাকার বিতর্কে দু’জন বন্ধু ৩৭ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ওয়াহেদ হোসেনকে বিষাক্ত কফি দিয়ে হত্যা করে। লাশটি ধানখেতে লুকিয়ে রাখা হয়। আসামি নাজিম উদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন
বগুড়ায় পাওনা টাকার বিতর্কে দু’জন বন্ধু ৩৭ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ওয়াহেদ হোসেনকে বিষাক্ত কফি দিয়ে হত্যা করে। নিহত ব্যক্তির লাশটি ধানখেতে লুকিয়ে রাখা হয়। পুলিশের তদন্তে আসামি নাজিম উদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং সহযোগী আসামি স্বপনের নাম উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ায় ৩৭ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ওয়াহেদ হোসেনকে বিষাক্ত কফি দিয়ে হত্যা করা হয় পাওনা টাকার বিতর্কে।
- 📌 আসামি নাজিম উদ্দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন এবং সহযোগী আসামি স্বপনের নাম উল্লেখ করেন।
- 📌 নিহত ওয়াহেদের লাশ ১২ আগস্ট ধানখেত থেকে উদ্ধার করা হয়, কিন্তু প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
- 📌 পুলিশ জানায়, আসামিরা লাশটি বস্তায় ভরে মালগ্রাম এলাকার ধানখেতে ফেলে দেন।
- 📌 ওয়াহেদের পরিবার ১০ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা দায়ের করে।
📰 বিস্তারিত
বগুড়া সদর থানার তদন্তে জানা যায়, আসামি নাজিম উদ্দিন ও মো. স্বপন দু’জনেই ওয়াহেদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কে ছিল। ওয়াহেদের বাবা রফিকুল ইসলামের সঙ্গে স্টেশন সড়কে ফলের আড়ত পরিচালনা করতেন তিনি। নাজিম ও স্বপন একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চির কাজ করতেন। সেই সংস্থা থেকে ওয়াহেদের মায়ের নামে সাত লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার পর, তিনি দু’জনকে এক লাখ টাকা করে ধার দিয়েছিলেন। ধার ফেরত চাওয়ার বিতর্কে দু’জন আসামি হত্যার পরিকল্পনা করেন।
৭ আগস্ট বেলা পৌনে তিনটার দিকে, আসামিরা ওয়াহেদকে মালগ্রাম এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিষাক্ত কফি পান করান। ওয়াহেদের মৃত্যুর পর, তাঁর লাশ বস্তায় ভরে মালগ্রাম মধ্যপাড়া দীঘিপাড় এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়। আসামিরা সেই কার্যালয়েই রাত কাটান এবং পরদিন সকালে আত্মগোপনে চলে যান। পাঁচ দিন পর, ১২ আগস্ট, ওয়াহেদের লাশ ধানখেত থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এবং বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। পরে ওয়াহেদের পরিবার লাশটি শনাক্ত করেন।
বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নাজিম উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জবানবন্দিতে স্বপনের নামও উল্লেখ করেছেন। পুলিশ এখন স্বপনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
"৭ আগস্ট বেলা পৌনে তিনটার দিকে পরিকল্পনা অনুযায়ী ওয়াহেদকে মালগ্রাম এলাকায় তাঁদের কর্মস্থলের একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যার দিকে কফির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তাঁকে পান করানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া সদর, মালগ্রাম এলাকা, ধানখেত, বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াহেদ হোসেন (৩৭), নাজিম উদ্দিন, মো. স্বপন, এসআই শরিফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ বছর বয়স, ৭ লাখ টাকা ঋণ, ১২ আগস্ট, ১০ সেপ্টেম্বর, ১৬৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!