📌 বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ঋণপ্রবণ সজীব বেপারী নিজেই ‘জেগে ওঠা’ দুটি কবর তৈরি করে প্রতারণা চালিয়েছিলেন। প্রশাসন ও পুলিশের অভিযানে কবর দুটি ভেঙে ফেলা হয় এবং সজীব মুচলেকা দিয়েছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ঋণপ্রবণ একজন ব্যক্তি নিজেই ‘জেগে ওঠা’ দুটি কবর তৈরি করে প্রতারণার ফাঁদ বাঁধেছিলেন। ঋণের চাপে পড়ে সজীব বেপারী নিজের বাড়ির মেঝেতে দুটি কবর তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। অবশেষে প্রশাসন ও পুলিশের হাতে কবর দুটি ভেঙে ফেলা হয় এবং সজীব মুচলেকা দিয়েছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামে সজীব বেপারী নিজেই ‘জেগে ওঠা’ দুটি কবর তৈরি করেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
- 📌 ২৬ অক্টোবর থেকে কবর দুটি ‘জেগে ওঠা’ বলে প্রচার করা হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে আসে ঘটনাটি।
- 📌 উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল হোসেন তমাল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খানের নেতৃত্বে অভিযানে কবর দুটি ভেঙে ফেলা হয়।
- 📌 সজীব বেপারী জানান, ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ার কারণে প্রতারণার উদ্দেশ্যে কবর দুটি তৈরি করেছিলেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামে সজীব বেপারী নিজের বাড়ির মেঝেতে ‘জেগে ওঠা’ দুটি কবর তৈরি করেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। সজীব বেপারী ছালাম বেপারীর ছেলে এবং তিনি প্রায় ছয় মাস ধরে ধ্যানের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়ার দাবি করতেন। সজীব দাবি করেছিলেন, কবর দুটি বড় পীর আবদুল কাদের জিলানি ও খাজা মঈনুদ্দিন চিশতীর।
২৬ অক্টোবর থেকে কবর দুটি ‘জেগে ওঠা’ বলে প্রচার করা হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বাড়িতে ঝাড়ফুঁক, তেলপড়া ও কথিত চিকিৎসার কার্যক্রম চলছিল। কবর দুটি সম্পর্কে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল হোসেন তমাল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খানের নেতৃত্বে প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।
অভিযানে সজীব বেপারী নিজেই কবর তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের দিয়েই কবর দুটি ভেঙে ফেলা হয়। সজীব জানান, ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ার কারণে প্রতারণার উদ্দেশ্যে কবর দুটি তৈরি করেছিলেন। তিনি মুচলেকা দিয়েছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে।
"আমরা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে মানুষের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশে নিজেরাই কবর দুটি তৈরি করেছিলাম। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ভুল বুঝিয়েছেন বলে আমি মুচলেকা দিচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা, বাকাল ইউনিয়ন, কদমবাড়ি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজীব বেপারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার তানজিল হোসেন তমাল, ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!