📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটের অসমাপ্ত সেতু: ৫০ লাখ টাকার লুটপাটে প্রশ্নবিদ্ধ সরকারি প্রকল্প

বাগেরহাটের অসমাপ্ত সেতু: ৫০ লাখ টাকার লুটপাটে প্রশ্নবিদ্ধ সরকারি প্রকল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে ৫০ লাখ টাকা লোপাট হয়েছে। এলজিইডির অনুমোদন সত্ত্বেও ঠিকাদার কাজ সম্পন্ন না করায় প্রকল্পটি বছরের পর বছর ঝুলে রয়েছে। স্থানীয়রা এর বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠেছেন

বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে প্রায় পঞ্চাশ লাখ টাকা লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের শেষ দিকে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন কোটি চুরাশি লাখ চার হাজার একুশ টাকা। ঠিকাদারকে কাজ শেষ করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে ৫০ লাখ টাকা লোপাট হয়েছে
  • 📌 প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা
  • 📌 ঠিকাদারকে কাজ শেষ করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত
  • 📌 ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর এলজিইডি থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়
  • 📌 স্থানীয়রা এলজিইডির প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে প্রায় পঞ্চাশ লাখ টাকা লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের শেষ দিকে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন কোটি চুরাশি লাখ চার হাজার একুশ টাকা। ঠিকাদারকে কাজ শেষ করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত।

তবে প্রকল্পটি বছরের পর বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। এমনকি ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর এলজিইডি থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পঞ্চাশ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এরপরও কাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। গত ২২ জুলাই প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠেছেন। তাঁরা এলজিইডির প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের টাকা লোপাটের বিরুদ্ধে তাঁরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

"সরকারি কাজ যে ঠিকাদার পান, তাঁরা যদি বুঝে ফেলেন যে কাজ শেষ না করেও টাকা লোপাট করা যাবে, তাহলে এই ধরনের ঘটনার অবসান হবে না। কার্যাদেশ পাওয়া মানে সময়মতো কাজ শেষ করার অঙ্গীকার করা। সময়মতো কাজ শেষ না করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পূর্ব সায়েড়া, বাগেরহাট সদর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা, এলজিইডির প্রকৌশলী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা, ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖