📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রশাসনের দাবিকৃত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি। বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় নাগরিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রশাসনের দাবিকৃত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি রয়েছেন। গত মার্চে প্রশাসন দাবি করেছিল এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে যাওয়ায় নাগরিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে
- 📌 স্থানীয় সংগঠনের নামে বিদ্যুৎ বিল আদায়ের প্রথা অব্যাহত রয়েছে
- 📌 প্রশাসনের দাবিকৃত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ভয়াবহতা রয়ে গেছে
- 📌 পিডিবির তথ্যমতে, এলাকায় মাত্র ২২টি বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে জঙ্গল সলিমপুরের বিদ্যুৎ বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৭২ লাখ টাকা
- 📌 স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি মো. ইয়াসিন ও তাঁর সহযোগীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রশাসনের দাবিকৃত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি রয়েছেন। গত মার্চে প্রশাসন দাবি করেছিল এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে যাওয়ায় নাগরিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় দোকানদার শাহ আলম জানান, সরকারি বিদ্যুৎ বিল না পেয়ে তিনি স্থানীয় সংগঠনের নামে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাত্র ২২টি বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে জঙ্গল সলিমপুরের বিদ্যুৎ বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪৪ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি ২৮ লাখ টাকা আদায়ে ব্যর্থ হওয়ায় চলতি মাসের ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় সংগঠনের মাধ্যমে নিয়মিত টাকা আদায়ের পরও এত বিল বকেয়া কেন জানতে চাইলে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছানা উল্লাহ কোনো জবাব দিতে পারেননি।
এলাকাবাসীরা জানান, প্রশাসনের যৌথ অভিযানের পর পুলিশের তল্লাশিচৌকি ও অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হলেও প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের আনাগোনা না থাকলেও যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা ও পুলিশ ক্যাম্পের পানির পাইপে বিষাক্ত দ্রব্য মেশানোর ঘটনা ঘটেছে। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে ভয়াবহতা রয়ে গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি মো. ইয়াসিন ও তাঁর প্রধান সহযোগীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান আলীনগরের ১৫ বাসিন্দা।
"সরকারি কোনো বিদ্যুৎ বিল আমরা পাই না। ছিন্নমূল বস্তিবাসী সংগ্রাম পরিষদের নামে কাগজে বিল আসে। এলাকায় তাদের বিদ্যুৎ অফিস আছে। সেখানে নগদ টাকা জমা দেই।" — শাহ আলম, স্থানীয় দোকানদার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ আলম, মো. ইয়াসিন, মো. ছানা উল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, ৭২ লাখ টাকা বকেয়া, ৪৪ লাখ টাকা পরিশোধিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!