📌 আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে ১৭৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিক ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন। পুলিশ ছত্রভঙ্গের চেষ্টায় শ্রমিকদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে মিছিল করতে বাধ্য করছে। শ্রমিকরা দাবি করছেন, সরকার তাদের দুর্ভোগ বিবেচনা না করে শুধু আন্দোলন দমন করছে
আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভে নেমে পড়েছেন ১৭৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিক। ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ তিন দফা দাবিতে আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার শ্রমিকেরা আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়ক অবরোধের চেষ্টা করছেন। পুলিশের ছত্রভঙ্গের চেষ্টায় শ্রমিকরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মিছিল করতে বাধ্য হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আশুলিয়ার ১৭৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিক বিক্ষোভে নেমেছেন, সড়ক অবরোধের চেষ্টা করছেন
- 📌 পুলিশ ছত্রভঙ্গের চেষ্টায় শ্রমিকদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে মিছিল করতে বাধ্য করছে
- 📌 শ্রমিকরা দাবি করছেন, সরকার শুধু আন্দোলন দমন করছে, বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নেই
- 📌 শ্রমিকনেতা খাইরুল মামুন মিন্টু বলেছেন, মালিকপক্ষের সঙ্গে আন্তরিক আলোচনা হলে আন্দোলন থেমে যেত
- 📌 আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার ১৭৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভে নেমেছেন। নিউ এজ গ্রুপ ও হা-মীম গ্রুপের কারখানার শ্রমিকেরা প্রথমে কাজে যোগ দিতে আসেননি। পরে তারা কারখানার ভেতরে অবস্থান নেন। বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকেরা আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। পুলিশের ছত্রভঙ্গের চেষ্টায় শ্রমিকেরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মিছিল করতে থাকেন।
শ্রমিকদের একজন বলেছেন, ‘আন্দোলন করলে আমাদেরও ক্ষতি হয়, মালিকপক্ষেরও ক্ষতি হয়। কিন্তু আমরা যদি ঠিকমতো খেয়ে-পরে বাঁচতে না পারি, তাহলে কী করব? এ জন্যই আন্দোলন করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করি। অতীতে শ্রমিকদের অধিকাংশ দাবি আন্দোলনের মাধ্যমেই আদায় হয়েছে।’
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, ‘আমরা চাই না আন্দোলনের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হোক। আমার মনে হয়, মালিকপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে আন্দোলন থেমে যাবে।’
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ‘শ্রমিকেরা কারখানা থেকে বের হয়ে আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড মিছিল করছেন। তবে কোথাও কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি।’ সাভারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ ১৭৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিক আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।
"আমরা যদি ঠিকমতো খেয়ে-পরে বাঁচতে না পারি, তাহলে কী করব? এ জন্যই আন্দোলন করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল, নিশ্চিন্তপুর, নরসিংহপুর, আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়ক, সাভার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাইরুল মামুন মিন্টু (শ্রমিকনেতা), মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম (ওসি), সাইফুল ইসলাম (ইউএনও), শ্রমিকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৩টি কারখানা, ৩০ হাজার টাকা (ন্যূনতম মজুরি), ১১ টা (বেলা), ১২ টা (দুপুর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!