📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের জালে ফসা রোগীরা: ৭ হাজার টাকার দাবি ও হুমকির কাহিনী

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের জালে ফসা রোগীরা: ৭ হাজার টাকার দাবি ও হুমকির কাহিনী

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালাল চক্রের দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছেন রোগীরা। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট। অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ৪ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় অ্যাম্বুলেন্স সংকটের ভান করে

শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যে রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় গড়ে উঠা এই সিন্ডিকেট রোগী পরিবহনে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রাখছে। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে এবং সিন্ডিকেটের সদস্যদের হুমকির মুখে রোগীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোগী পরিবহনে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রাখছে; অন্য অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারে হুমকি ও প্রতিবন্ধকতা
  • 📌 অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ৪ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় অ্যাম্বুলেন্স সংকটের ভান করে; ৭ হাজার টাকা দাবি করা হয় ঢাকায় পরিবহনের জন্য
  • 📌 সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট; সদস্যরা হলেন ছৈয়দ মো. সুমন ও টিটু খানসহ কয়েকজন
  • 📌 হাসপাতালে দালাল চক্রও সক্রিয়; রোগীদের বাইরে নিয়ে পরীক্ষা করানোর অভিযোগ
  • 📌 প্রতিদিন ৮০০-৯০০ রোগী চিকিৎসা নেয় এই হাসপাতালে; শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও মুন্সিগঞ্জের রোগীরা এখানে আসেন

📰 বিস্তারিত

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী পরিবহনে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দমন-পীড়ন চলছে। স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় গড়ে উঠা এই সিন্ডিকেট রোগী পরিবহনে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রাখছে। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে এবং সিন্ডিকেটের সদস্যদের হুমকির মুখে রোগীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ১৯৭২ সালে ৩১ শয্যার হাসপাতালটি নির্মিত হয়েছিল। পরে ২০১১ সালে এটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। প্রতিদিন প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ রোগী চিকিৎসা নেয় এই হাসপাতালে। শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও মুন্সিগঞ্জের রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।

অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোগী পরিবহনে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রাখছে। তারা অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চাইলে স্বজনদের বাধা ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের হিসাবে, ভেদরগঞ্জ থেকে ঢাকায় সাধারণত ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা এবং ঢাকা থেকে ভেদরগঞ্জে ফেরার ভাড়া ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা হলেও রোগীদের জিম্মি করে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেয় এই সিন্ডিকেট। কখনো অ্যাম্বুলেন্স সংকটের কথা বলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্তঃসত্ত্বা বৃষ্টি আক্তারকে নিয়ে আসেন তার বোন রিক্তা আক্তার। কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃষ্টিকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। রিক্তা জানান, স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্সচালক টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ভেদরগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে ৭ হাজার টাকা ভাড়া চান। পরে শরীয়তপুরে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৫ হাজার টাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করেন তিনি। ওই অ্যাম্বুলেন্সটি সদর থেকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছালে চক্রের সদস্য টিটু চালককে হুমকি-ধমকি দেন। পরে ওই অ্যাম্বুলেন্সে অন্য এক রোগী তুলে শরীয়তপুর সদরে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়।

"বৃহস্পতিবার দুপুরে আমার অন্তঃসত্ত্বা বোনকে নিয়ে ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে এলে ডাক্তার তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স খোঁজ করলে আনসার সদস্য জানান, সেটি নষ্ট। পরে হাসপাতালের গেটের সামনে থাকা নম্বর দেখে টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। টিটু আমার কাছে ৭ হাজার টাকা দাবি করেন।"

রিক্তা আক্তার বলেন, টিটু তাদের জানান, শরীয়তপুরে কোনো অ্যাম্বুলেন্স খালি নেই, সবগুলো ভাড়া হয়ে গেছে। এ সময় হাসপাতালের সামনে প্রসববেদনায় ছটফট করতে দেখা যায় বৃষ্টি আক্তারকে। সাংবাদিকসহ স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে টিটুসহ চক্রের অন্য সদস্যরা সরে যান। পরে শরীয়তপুর সদর থেকে অ্যাম্বুলেন্স এনে বৃষ্টিকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শরীয়তপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টিটু খান, ছৈয়দ মো. সুমন, বৃষ্টি আক্তার, রিক্তা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ (রোগী), ৩১ শয্যা (প্রাথমিক), ৫০ শয্যা (বর্তমান), ৮০০-৯০০ (দৈনিক রোগী), ৫-৮ হাজার টাকা (অতিরিক্ত ভাড়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖