📌 ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক রবার্ট কিয়োসাকির ব্যক্তিগত নয়, বরং তাঁর অংশীদারদের নিয়ে পরিচালিত রিয়েল এস্টেট পোর্টফোলিওর মোট ঋণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। তিনি এই ঋণকে সম্পদ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখেন, যদিও এর সাথে রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিও
‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক হিসেবে পরিচিত রবার্ট কিয়োসাকির নাম এখন আবার আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁর বিপুল পরিমাণ ঋণের কারণে। তবে তাঁর ব্যক্তিগত ঋণ নয়, বরং তাঁর অংশীদারদের নিয়ে পরিচালিত রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। সহযোগী কিম কিয়োসাকি জানিয়েছেন, তাঁদের মালিকানাধীন প্রায় দেড় হাজার অ্যাপার্টমেন্টের এই পোর্টফোলিও থেকেই এই বিপুল ঋণের হিসাব এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক রবার্ট কিয়োসাকির ব্যক্তিগত নয়, অংশীদারদের রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মোট ঋণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার
- 📌 তাঁদের মালিকানাধীন প্রায় দেড় হাজার অ্যাপার্টমেন্টের পোর্টফোলিও থেকে এই ঋণের হিসাব এসেছে
- 📌 কিয়োসাকির দাবি, নিয়মিত আয় উৎস সৃষ্টিকারী সম্পদ কেনার জন্য ঋণকে তিনি সম্পদ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখেন
- 📌 তাঁর আয় বছরে প্রায় ৩০ লাখ ডলার বলে দাবি করেছেন তিনি
- 📌 ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বইটির এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ কপি
📰 বিস্তারিত
ঋণের কথা শুনলেই সাধারণত মানুষের মনে আসে আর্থিক চাপ ও দুশ্চিন্তার কথা। কিন্তু ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক রবার্ট কিয়োসাকি ঋণকে দেখেন সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। তাঁর দাবি, তিনি এমন একটি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ গোষ্ঠীর অংশ, যাদের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। তবে এই ঋণ তাঁর ব্যক্তিগত নয়, বরং অংশীদারদের নিয়ে পরিচালিত ব্যবসার অংশ। সহযোগী কিম কিয়োসাকি জানিয়েছেন, তাঁদের মালিকানাধীন প্রায় দেড় হাজার অ্যাপার্টমেন্টের পোর্টফোলিও থেকেই এই বিপুল ঋণের হিসাব এসেছে।
কিয়োসাকির আর্থিক দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে ‘ভালো ঋণ’ ও ‘খারাপ ঋণ’-এর পার্থক্য। তাঁর যুক্তি, নিয়মিত আয় উৎস সৃষ্টিকারী সম্পদ কেনার জন্য ঋণ নেওয়া হলে সেই ঋণ সম্পদ তৈরির হাতিয়ার হতে পারে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ঋণ নিয়ে অ্যাপার্টমেন্ট বা অন্য কোনো আয় উৎস সৃষ্টিকারী সম্পদ কেনা যায়। সেই সম্পদ থেকে ভাড়া আসে, যা দিয়ে সম্পত্তির খরচ ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা যায়। একই সঙ্গে সম্পত্তির দাম বাড়লে মালিকের সম্পদের মূল্যও বাড়ে।
তবে এই কৌশলের ঝুঁকিও কম নয়। সম্পত্তি খালি পড়ে থাকলে, ভাড়া কমে গেলে, সুদের হার বেড়ে গেলে বা সম্পত্তির দাম পড়ে গেলে বড় ঋণের বোঝা দ্রুতই সমস্যায় পরিণত হতে পারে। কিয়োসাকি নিজে বছরে প্রায় ৩০ লাখ ডলার আয় করেন বলে দাবি করেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত অংশের হিসাব অনুযায়ী, এই বিশাল রিয়েল এস্টেট ঋণের মধ্যে তাঁর অংশ তিন থেকে ছয় কোটি ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।
তাঁর বিখ্যাত বই ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। বইটিতে তিনি নিজের বাবা ‘পুওর ড্যাড’ এবং তাঁর বন্ধুর বাবা ‘রিচ ড্যাড’-এর আর্থিক চিন্তাধারার তুলনা করেছেন। বইটি এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৪০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এবং অনূদিত হয়েছে অন্তত ৪৩টি ভাষায়।
“ঋণ যখন সম্পদ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তা বিপদের কারণ নয়; বরং সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবার্ট কিয়োসাকি, কিম কিয়োসাকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ কোটি ডলার, ৩০ লাখ ডলার, ৪ কোটি ৪০ লাখ কপি, ৪৩টি ভাষা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!