📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯৫ বছর বয়সে বাবাকে গাছতলায় রেখে দিল ছেলেমেয়েরা: 'জমি লিখে দিলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো'

৯৫ বছর বয়সে বাবাকে গাছতলায় রেখে দিল ছেলেমেয়েরা: 'জমি লিখে দিলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো'

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী শামসুল হক মোল্লাকে ছেলেমেয়েরা গাছতলায় রেখে দিয়েছে। জমি লিখে দিতে গিয়ে সন্তানরা বাবাকে বোঝা মনে করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী শামসুল হক মোল্লাকে ছেলেমেয়েরা গাছতলায় রেখে দিয়েছে। নিজের জীবনের শেষ দিনগুলো সন্তানদের সান্নিধ্যে কাটাতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু বর্তমানে সন্তানদের কাছে বাবা হয়ে গেছেন বোঝা। শামসুল হক মোল্লার বাড়ি উত্তর হিরন গ্রামে। তিনি ছয় সন্তানের পিতা — দুই ছেলে ও চার মেয়ে। বড় ছেলে আজিজুল মোল্লা ফেরিওয়ালা এবং ছোট ছেলে রিয়াজুল মোল্লা বাসের চালকের সহকারী। চার মেয়ের মধ্যে তিনজন বিয়ে করেছেন, আর ছোট মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯৫ বছর বয়সী শামসুল হক মোল্লাকে ছেলেমেয়েরা গাছতলায় রেখে দিয়েছে গোপালগঞ্জের উত্তর হিরন গ্রামে
  • 📌 জমি লিখে দিতে গিয়ে সন্তানরা বাবাকে বোঝা মনে করছে, নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত বলে দাবি করছে তারা
  • 📌 বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে থাকতে অসুস্থ স্বামী ও প্রতিবন্ধী বোনের কারণে বাবাকে বাড়িতে রাখতে পারেননি
  • 📌 স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পিতামাতার ভরণপোষণ আইনানুযায়ী সন্তানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন
  • 📌 প্রতিবেশীরা বলেছেন, জমি লিখে দিতে গিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা কাম্য নয়

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার সকালে শামসুল হক মোল্লাকে দুই ছেলে ও তাঁদের স্ত্রীরা বাড়ির অদূরে একটি গাছের নিচে রেখে আসেন। এই ঘটনা এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। শামসুল হক মোল্লা জানান, তিনি সারা জীবন কষ্ট করে ছেলেমেয়েদের বড় করেছেন। কিন্তু এখন সন্তানদের কাছে তিনি বোঝা হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখন কোথায় যাব, কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না। সারা জীবন কষ্ট করে ওদের বড় করলাম। তাদের কাছে এখন আমি বোঝা হয়ে গেছি। এখন আল্লাহ যা করেন, তা-ই হবে।’

সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে জমি বিক্রি করে হজ করতে যান শামসুল হক। তখন বাকি জমিজমা সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেন তিনি। এখন সন্তানেরা নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। গত কয়েক দিন বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে ছিলেন তিনি। অসুস্থ স্বামী ও প্রতিবন্ধী ছোট বোনকে নিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছিল বলে মায়া বেগম বাবাকে ভাইদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু দুই ছেলে ও তাঁদের স্ত্রীরা তাঁকে বাড়িতে আশ্রয় দেননি। তাঁকে বাড়ির পাশে একটি গাছতলায় রাখা হয়।

মেজ মেয়ে সাবিনা বেগম বলেন, ‘জমি বিক্রি করে আব্বা আমাদের চার বোনকে চার লাখ টাকা করে দিয়েছেন। দুই ভাইকে নগদ টাকাসহ আট কাঠা জমি দিয়েছেন। এখন বোনেরা কেন আব্বার দেখাশোনা করব? আমার দুই ভাই আছেন, তাঁরা আব্বার দেখাশোনা করবেন।’

এ বিষয়ে কথা বলতে শামসুল হকের দুই ছেলে আজিজুল ও রিয়াজুলের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। তাঁদের স্ত্রীরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রতিবেশী এক গৃহবধূ প্রথম আলোকে বলেন, ‘জমিজমা লিখে নিয়ে এখন সন্তানেরা বাবাকে আশ্রয় দিচ্ছে না। তিনি যদি সন্তানদের জমি লিখে না দিতেন, তাহলে হয়তো এমন অবস্থা তৈরি হতো না। সন্তানদের এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

"আমি এখন কোথায় যাব, কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না। সারা জীবন কষ্ট করে ওদের বড় করলাম। তাদের কাছে এখন আমি বোঝা হয়ে গেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর হিরন গ্রাম, কোটালীপাড়া উপজেলা, গোপালগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামসুল হক মোল্লা (৯৫), মায়া বেগম, সাবিনা বেগম, আজিজুল মোল্লা, রিয়াজুল মোল্লা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖