📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭৪ বছর বয়সে পত্রিকা বিক্রির পেশায় অবিচল: ঈদগাঁওয়ের 'প্রিয় মাসি' শেফালী পালের জীবনগাথা

৭৪ বছর বয়সে পত্রিকা বিক্রির পেশায় অবিচল: ঈদগাঁওয়ের 'প্রিয় মাসি' শেফালী পালের জীবনগাথা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় বসবাসকারী ৭৪ বছর বয়সী শেফালী পাল ২৫ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির পেশায় অবিচল। বাবা ও মারা যাওয়া ছেলের স্মৃতিতে তিনি প্রতিদিন ১০৫ কপি পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালান।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় বসবাসকারী ৭৪ বছর বয়সী শেফালী পাল ২৫ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির পেশায় অবিচল। বাবা এবং মারা যাওয়া একমাত্র ছেলের স্মৃতিতে তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পত্রিকা বিতরণের কাজে নিবেদিত। ঈদগাঁওয়ের মানুষের কাছে তিনি পরিচিত ‘শেফালী মাসি’ নামে, অনেকেই তাকে ‘প্রিয় মাসি’ বলে ডাকেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭৪ বছর বয়সেও প্রতিদিন ১০৫ কপি পত্রিকা বিক্রি করে ৩৫০ টাকা কমিশন পান শেফালী পাল
  • 📌 ২৫ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির পেশায় অবিচল, বাবা ও মারা যাওয়া ছেলের স্মৃতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন
  • 📌 প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা আয় করে সংসার চালান, সকালে মাইক্রোবাস থেকে পত্রিকা সংগ্রহ করে বিতরণ করেন
  • 📌 ঈদগাঁও উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ায় বসবাসকারী শেফালী ১৯৬৬ সালে কক্সবাজারের রুদ্রপাড়ায় বিয়ে করেন
  • 📌 ছেলে স্বপন পালের মৃত্যুর পর ২০০১ সাল থেকে একা পত্রিকা বিক্রির দায়িত্ব নেন

📰 বিস্তারিত

শেফালী পালের জীবনগাথা শুরু হয় পত্রিকা বিক্রির পেশায়। তাঁর বাবা ছিলেন পত্রিকা বিক্রেতা, ছোটবেলা থেকেই বাবার হাত ধরে সংবাদপত্রের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। পাঁচ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হলেও আর্থিক সংকটে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। ১৯৬৬ সালে ১৪ বছর বয়সে কক্সবাজারের রুদ্রপাড়ার রবীন্দ্র রুদ্রের সঙ্গে বিয়ে করেন। স্বামী ছিলেন স্কুলশিক্ষক, কিন্তু ১৯৬৯ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর শেফালী দুই সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে বিপাকে পড়েন। পরে বাবার বাড়ি ঈদগাঁওয়ে ফিরে আসেন। ছেলে স্বপন পালের অসুস্থতার কারণে ২০০১ সালে পত্রিকা বিক্রির দায়িত্ব নেন। ২০০৮ সালে স্বপন পালের মৃত্যুর পর তিনি একা সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন।

সকালের আলো ফোটার আগেই শুরু হয় শেফালীর দিনের ব্যস্ততা। হাতে পত্রিকার বান্ডিল নিয়ে তিনি এক দোকান থেকে অন্য দোকানে, কখনো অফিসে, কখনো পরিচিত পাঠকের বাড়িতে ছুটে চলেন। ঈদগাঁও বাসস্টেশনের একটি দোকানের সামনে বসে পত্রিকা বিক্রি করতেন তিনি। ৩১ অক্টোবর বিকেলে সেখানে গিয়ে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। যুব রেড ক্রিসেন্ট ঈদগাঁও উপজেলা টিম লিডার আজিজুর রহমান বলেন, শেফালী মাসি অন্য কাজে মনোযোগী হয়ে বেশি টাকা আয় করতে পারতেন, কিন্তু বাবা এবং মারা যাওয়া সন্তানের স্মৃতি ধরে রাখতে তিনি পত্রিকা বিক্রি করে চলেছেন।

ঈদগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি অফিস-আদালত ও বাসাবাড়িতে পত্রিকা পৌঁছে দেন। ঈদগাঁও আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সহকারী শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, ঈদগাঁওয়ে শেফালী পাল ছাড়া পত্রিকা বিক্রির অন্য কোনো হকার বা এজেন্ট নেই। তিনি নিজ উদ্যোগে পত্রিকা নিয়ে আসেন এবং নিজেই বিক্রি ও বিলি করেন।

"জীবন যত দিন আছে, পত্রিকা বিক্রি করে যাব। বার্ধক্য শেফালীকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। কখনো হেঁটে হেঁটে, আবার কখনো স্টেশনে বসে পত্রিকা বিক্রি করেন তিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঈদগাঁও উপজেলা, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেফালী পাল (৭৪), মোহাম্মদ হাশিম (পত্রিকা এজেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (পেশায়), ১০৫ কপি (দৈনিক বিক্রি), ৩৫০ টাকা (দৈনিক আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖